সাম্প্রতিক
সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ বছর ১০ মাসে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে ৩০০ পরিবার প্রথম ধাপে ১,০৫০ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সরকারের পাশাপাশি আরাকান আর্মির সঙ্গেও আলোচনা চলছে: শামা ওবায়েদ বাংলাদেশি নাগরিকদের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ ৬৪৬ ডলার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ স্থানে একই সময়ে হাতবোমা বিস্ফোরণ, আটক ১ গুলশান-১ গোলচত্বরে তিন বিঘা জমিতে ৪০ তলা ভবনের ছক এঁকেছে শান্তা হোল্ডিংস বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় চাকরি, লটারিতে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ৩০০ জন ভাটারায় স্কুল বাসে আগুন, মালিবাগ সিআইডি কার্যালয়ের পার্কিংয়ে ককটেল বিস্ফোরণ রমজানের আগে ১০ পণ্যের এলসি খোলার শর্ত শিথিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক এইচএসসি খাতা পুনঃনিরীক্ষণে ২ লাখ ৯১ হাজার আবেদন, ‘সবচেয়ে বেশি ইংরেজিতে’
Skip to content

শাকিব খানের জন্য গাইলেন জুবিন

অনলাইন ডেস্ক :

বলিউডে এই সময়ের সেনসেশন গায়ক জুবিন নটিয়াল। একের পর এক সুপারহিট গান উপহার দিচ্ছেন তিনি। তার গাওয়া ‘লুট গায়ে’, ‘হামনাভা’, ‘তুঝে কিতনা চাহে অউর হাম’ কিংবা ‘রাতা লাম্বিয়া’ গানগুলোর জনপ্রিয়তা নিয়ে বাড়িয়ে বলার কিছু নেই। জনপ্রিয় এই গায়ক এবার গাইলেন বাংলাদেশের স্বনামধন্য নায়ক শাকিব খানের ‘অন্তরাত্মা’ সিনেমার জন্য। গানের শিরোনামও একই। রবিউল ইসলাম জীবনের কথায় গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন ভারতের ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত। সম্প্রতি গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন জুবিন। তবে গাওয়ার আগে তার দাবি ছিল, গানের কথা ও মিউজিক পছন্দসই হতে হবে। সেই শর্ত মাথায় রেখে গানের কথা ও মিউজিক সাজান জীবন-ইন্দ্রদীপ। গানে কণ্ঠ দেওয়ার পর এক ভিডিও বার্তায় জুবিন বলেন, “বাংলাদেশের সিনেমার গানে নতুন অভিজ্ঞতা হলো। সুন্দর একটি গান করলাম। ‘অন্তরাত্মা’ সিনেমার টিমের জন্য শুভকামনা।” এদিকে গীতিকার রবিউল ইসলাম জীবন বলেন, ‘ভারতের বেশ কয়েকজন সংগীতশিল্পীর জন্য গান লিখেছি। তবে জুবিন নটিয়ালের জন্য প্রথম লিখলাম। তিনি এই সময়ের ভীষণ জনপ্রিয় একজন গায়ক। তার সঙ্গে কাজ করতে পেরে ভালো লাগছে। তিনি যেভাবে গানটি গেয়েছেন, আমার বিশ্বাস শ্রোতাদের হৃদয় ছুঁয়ে যাবে।’ উল্লেখ্য, জীবনের কথায় এর আগে ভারতের মিতালী মুখার্জি, জুবিন গর্গ, মোহাম্মদ ইরফান, আকৃতি কাক্কার, রূপম ইসলাম, রূপঙ্কর বাগচী, শুভমিতা, আকাশ সেনসহ বেশ কয়েকজন শিল্পী গান গেয়েছেন। প্রসঙ্গত, ‘অন্তরাত্মা’ সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করেছেন কলকাতার দর্শনা বণিক। ওয়াজেদ আলী সুমনের পরিচালনায় সিনেমাটি প্রযোজনা করেছেন সোহানী হোসেন।