সাম্প্রতিক
সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ বছর ১০ মাসে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে ৩০০ পরিবার প্রথম ধাপে ১,০৫০ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সরকারের পাশাপাশি আরাকান আর্মির সঙ্গেও আলোচনা চলছে: শামা ওবায়েদ বাংলাদেশি নাগরিকদের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ ৬৪৬ ডলার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ স্থানে একই সময়ে হাতবোমা বিস্ফোরণ, আটক ১ গুলশান-১ গোলচত্বরে তিন বিঘা জমিতে ৪০ তলা ভবনের ছক এঁকেছে শান্তা হোল্ডিংস বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় চাকরি, লটারিতে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ৩০০ জন ভাটারায় স্কুল বাসে আগুন, মালিবাগ সিআইডি কার্যালয়ের পার্কিংয়ে ককটেল বিস্ফোরণ রমজানের আগে ১০ পণ্যের এলসি খোলার শর্ত শিথিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক এইচএসসি খাতা পুনঃনিরীক্ষণে ২ লাখ ৯১ হাজার আবেদন, ‘সবচেয়ে বেশি ইংরেজিতে’
Skip to content

একাধিক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে হাজতে অ্যাথলেট জহির

অনলাইন ডেস্ক :

কেনিয়ায় বিশ্ব যুব চ্যাম্পিয়নশিপে সেমিফাইনাল খেলে আলোচনায় আসা অ্যাথলেট জহির রায়হান এবার নেতিবাচক খবরের শিরোনাম হলেন। ধর্ষণ মামলায় টোকিও অলিম্পিকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী এই অ্যাথলেটকে হাজতে পাঠানো হয়েছে। বুধবার জহিরকে হাজতে প্রেরণের আদেশ দেন গাজীপুরের শিশু ও নারীবিষয়ক ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক। তার বিরুদ্ধে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’-এর একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। ২০১৯ সালের ২১ মে জহির রায়হানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন এক নারী ক্রীড়াবিদ। তার অভিযোগ, ২০১৭ সালে সাভার বিকেএসপিতে প্রশিক্ষণ চলাকালে জহিরের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। দেড় বছর তাদের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বাদীকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৯ সালের ৩ মে তার সঙ্গে জোরপূর্বক শারিরীক সম্পর্ক করেন জহির। কিন্তু এরপর থেকে বিয়ে নিয়ে জহির টালবাহানা শুরু করেন। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা হলেও তা সফল হয়নি। এরপর ২০১৯ সালের ৫ মে কালিয়াকৈর থানায় অভিযোগ করতে যান বাদী। কিন্তু কালিয়াকৈর থানার তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ মামলা গ্রহণ না করায় তিনি গাজীপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। এরপর আসামিকে আদালতে হাজির করার জন্য ওয়ারেন্ট জারি করেন আদালত। কিন্তু আসামীকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এর মাঝেই গত ২ সেপ্টেম্বর জহিরের বিরুদ্ধে তার কর্মস্থলে আরেকজন নারী ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’-এর অভিযোগ করেন। অবস্থা বেগতিক দেখে বুধবার ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করে জহির জামিন আবেদন করেন। কিন্তু ট্রাইব্যুনাল তাকে জামিন নামঞ্জুর করে হাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেন। এর আগে উচ্চ আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নিয়েছিলেন জহির। এর আগে বিচারের আশায় জহিরের পরিবার ও অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বাদী। কিন্তু সেখানেও পাত্তা না পেয়ে তিনি আদালতে যান। এই ঘটনার বিচার দাবি করে গণমাধ্যমকে বাদী বলেন, ‘একজন ধর্ষককে কীভাবে টোকিও অলিম্পিকে পাঠানো হলো?’