সাম্প্রতিক
জাফর ইকবাল-মাকসুদ কামালসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ দুই বছরে ইলিশ উৎপাদন কমেছে ১২ শতাংশের বেশি, বাড়ছে উদ্বেগ ইমরান খানের বোন আলীমা খানকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার ১৯ দিনে দেশে এলো ২৩ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারি চালিত রিকশা: প্রয়োজন পরিকল্পনা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা সরকারি নথিতে গুদামে লাখ লাখ টন, তবুও কৃষক পাচ্ছে না সার কমলাপুর রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে আগুন, ছড়িয়ে পড়ছে পাশের বগিতেও সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বাড়ল ২০ টাকা
Skip to content

পর্নোগ্রাফি মামলা নিয়ে মুখ খুললেন রাজ কুন্দ্রা

অনলাইন ডেস্ক :

জনপ্রিয় বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠির স্বামী রাজ কুন্দ্রা। গত জুলাইয়ে পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। বর্তমানে জামিনে মুক্ত আছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে এতদিন চুপ ছিলেন রাজ। অবশেষে মুখ খুলেছেন শিল্পার স্বামী। তিনি বলেন, ‘পর্নো কান্ডের নামে আমার বিরুদ্ধে প্রচুর মিথ্যা খবর রটেছে। অনেকেই এই সময়ের সুযোগ নিয়ে আমাকে বদনাম করেছে। আমি এতদিন এসব নিয়ে চুপ থাকার মানে এই নয় যে, এগুলো আমি মেনে নিয়েছি। আমার চুপ থাকাটা দুর্বলতাও নয়। আমি কখনোই পর্নোগ্রাফি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। এখনো নই। যেহেতু পুরো বিষয়টা এখনো আইনের হাতে তাই এসব নিয়ে এর থেকে বেশি কিছু মন্তব্য করতে চাই না।’ নিজেকে নির্দোষ দাবি করে রাজ কুন্দ্রা আরো বলেন, ‘আমি নির্দোষ, আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। সত্যিটা একদিন সামনে আসবেই। সমস্যা হচ্ছে, এসব ঘটনায় সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছে আমার পরিবার, যা সহ্য করা আমার পক্ষে খুবই কষ্টকর। এটা দুঃখজনক।’ গত ১৯ জুলাই শিল্পার স্বামী রাজ কুন্দ্রাকে গ্রেপ্তার করে মুম্বাই পুলিশ। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ  তিনি পর্নো তৈরি করে তা বিভিন্ন অ্যাপে প্রচার করতেন। এরপর গত ১৫ সেপ্টেম্বর মুম্বাই ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে রাজের বিরুদ্ধে ১৫০০ পাতার সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দেয় মুম্বাই পুলিশ। গত ১৮ সেপ্টেম্বর মহারাষ্ট্র আদালতে জামিন আবেদন করেন রাজ। তার আইনজীবীর দাবি, এই মামলায় পুলিশের কাছে রাজের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ নেই। তাকে ফাঁসানো হচ্ছে। ২০ সেপ্টেম্বর ৫০ হাজার রুপি ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পান রাজ। এর আগে পর্যন্ত মুম্বােইয়ের আর্থার রোডের কারাগারেই ছিলেন তিনি।