সাম্প্রতিক
নভেম্বরে দিল্লি সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষমা না চাইলেও একাত্তরের অবস্থান মেনে নিয়েছে জামায়াত: আইনমন্ত্রী দিল্লিতে শেখ হাসিনা-আওয়ামী লীগ নেতাদের বৈঠক বাতিল, নেপথ্যে কী? দলের নাম ও প্রতীক দুটোই হাতছাড়া মমতার ব্যবসায়ীদের চাপে ‘গুজরাটের ইলিশ’ আমদানি, জানত না মন্ত্রণালয় বাজারে উধাও ১ লিটারের সয়াবিন, খোলা তেলের দামও চড়া গুমের আন্তর্জাতিক তদন্ত চাওয়া বিএনপি এখন তা চায় না: নাহিদ ইসলাম পাকিস্তানে জ্বালানি সংকট: সরকারি ভোজ নিষিদ্ধ ও বিয়ের দাওয়াতে এক পদ গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৯ মার্চ লবণাক্ততায় হারাচ্ছে সুন্দরবনের ঔষধি গাছ, বিলুপ্তির পথে ভেষজ চিকিৎসা ও জ্ঞান
Skip to content

ডয়চে ভেলের সম্প্রচার বন্ধ করল রাশিয়া

অনলাইন ডেস্ক :

জার্মান পাবলিক মিডিয়া সার্ভিস ডয়চে ভেলের (ডিডব্লিউ) সম্প্রচার বন্ধ করেছে রাশিয়া। গত বৃহস্পতিবার রুশ সরকার মস্কোর ডিডব্লিউ অফিস বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। গত বৃহস্পতিবার রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘রাশিয়া ডিডব্লিউর স্যাটেলাইট ও সমস্ত ব্রডকাস্টিং অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে।’ এখন থেকে ডয়চে ভেলকে রাশিয়ায় ‘ফরেন এজেন্ট’ হিসেবে দেখা হবে বলেও জানানো হয় বিবৃতিতে। ডিডব্লিউয়ের এক খবরে বলা হয়েছে, রাশিয়ায় কর্মরত ডিডব্লিউ সাংবাদিকের অ্যাক্রেডিটেশন বাতিল করা হয়েছে। এর অর্থ হলো, এখন থেকে ডিডব্লিউ-এর সাংবাদিকরা রাশিয়ায় সাংবাদিকতা করতে পারবেন না। তাদের সাংবাদিক হিসেবে বিবেচনা করবে না সরকার। মস্কোর এমন পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে ডয়চে ভেলের মহাপরিচালক পিটার লিমবুর্গ বলেছেন, তিনি আইনি পদক্ষেপ নেবেন। এছাড়া জার্মান সরকার রাশিয়ার এ পদক্ষেপকে অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেছে। উল্লেখ্য যে, সম্প্রতি রুশ সরকারি সংবাদমাধ্যম আরটির জার্মান ভাষায় সম্প্রচার জার্মানিতে বন্ধ করা হয়েছিল। বার্লিনের এমন পদক্ষেপে আপত্তি জানিয়েছিল মস্কো। এবার মস্কোর নেওয়া সিদ্ধান্তকে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে মনে করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে ডিডব্লিউর মহাপরিচালক পিটার লিমবুর্গ অবশ্য বলেছেন, আরটি রাশিয়ার সরকারি সংবাদমাধ্যম, অন্যদিকে ডিডব্লিউ জার্মানির পাবলিক ব্রডকাস্টার। ফলে আরটির সঙ্গে ডিডব্লিউ-র বিষয়টি গুলিয়ে ফেললে ভুল হবে। তাছাড়া রাশিয়া যেভাবে ডিডব্লিউর কার্যালয় বন্ধ করেছে, সাংবাদিকদের অ্যাক্রেডিটেশন বাতিল করেছে তা সাংবাদিকদের মুখ বন্ধ করার প্রচেষ্টা। রাশিয়া কখনই সাংবাদিকদের মুখ বন্ধ করে দিতে পারবে না। এর আগেও বিদেশি সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে নানা পদক্ষেপ নিয়ে সমালোচিত ক্রেমলিন। সর্বশেষ এ ঘটনায় পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে মস্কোর দূরত্ব আরও বাড়ল।