সাম্প্রতিক
নভেম্বরে দিল্লি সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষমা না চাইলেও একাত্তরের অবস্থান মেনে নিয়েছে জামায়াত: আইনমন্ত্রী দিল্লিতে শেখ হাসিনা-আওয়ামী লীগ নেতাদের বৈঠক বাতিল, নেপথ্যে কী? দলের নাম ও প্রতীক দুটোই হাতছাড়া মমতার ব্যবসায়ীদের চাপে ‘গুজরাটের ইলিশ’ আমদানি, জানত না মন্ত্রণালয় বাজারে উধাও ১ লিটারের সয়াবিন, খোলা তেলের দামও চড়া গুমের আন্তর্জাতিক তদন্ত চাওয়া বিএনপি এখন তা চায় না: নাহিদ ইসলাম পাকিস্তানে জ্বালানি সংকট: সরকারি ভোজ নিষিদ্ধ ও বিয়ের দাওয়াতে এক পদ গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৯ মার্চ লবণাক্ততায় হারাচ্ছে সুন্দরবনের ঔষধি গাছ, বিলুপ্তির পথে ভেষজ চিকিৎসা ও জ্ঞান
Skip to content

পাবনায় যুবক হত্যা মামলায় ৩ সহদরের যাবজ্জীবন

ফাইল ছবি

জেলা প্রতিনিধি, পাবনা :
পাবনা সদরের চাঞ্চল্যকর শাহীন হোসেন (৩০) নামের এক যুবককে হত্যার দায়ে ৩ সহদোরের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন পাবনার আদালত।
একই সঙ্গে তাঁদের প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদন্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে পাবনার বিশেষ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আহসান তারেক এ রায় ঘোষণা করেন।
নিহত শাহীন পাবনা সদর উপজেলার মালঞ্চি ইউনিয়নের কাশিনাথপুরের চরপাড়া গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। পেশায় কাঠমিস্ত্রী ছিলেন।
দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- কাশিনাথপুর চরপাড়া গ্রামের শাহেদ আলীর তিন ছেলে বাবু (৩৮), মোস্তফা (৩২) এবং আবু (৩৫)। সাজাপ্রাপ্ত সবাই পলাতক রয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের ২৭ জুলাই রাতে কাঠমিস্ত্রীর কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে মালঞ্চির রামানন্দপুরের কালভার্ট রোডে পৌঁছামাত্র পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওঁৎ পেতে থাকা আসামিরা চাপাতি, টাংগি, লাঠি, লোহার রড, তলোয়ার দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এসময় আশপাশের লোকজন তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
এঘটনার পরেরদিন নিহতের স্ত্রী সিমা খাতুন ১০ জনের নাম উল্লেখ করে পাবনা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার দীর্ঘ তদন্ত শেষে ৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই আসামিরা পলাতক রয়েছেন। দীর্ঘ শুনানির পর আদালত হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ও পরিকল্পনাকারী ৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের এই আদেশ দেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট দেওয়ান মজনুল হক। বাদী পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইদ্রিস আলী।