সাম্প্রতিক
স্টুডেন্ট ভিসায় পরিবার নেওয়ার সুযোগ বন্ধ করছে অস্ট্রেলিয়া ভারতে পলাতকরা যাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে: হাইকমিশনারকে মাহ্দী আমিন উপনির্বাচনে থাকবে সেনাবাহিনী, জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন: ইসি আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ মৃত্যু, জুলাইয়ের তুলনায় প্রাণহানি বেড়েছে ইরানে মার্কিন হামলায় ‘যুদ্ধাপরাধের’ তথ্য পেল জাতিসংঘ, কাঠগড়ায় তেহরানও সর্বজনীন পেনশন স্কিমের মুনাফা সামান্য বাড়াল সরকার, মিলবে যেসব সুবিধা শেখ হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক-আইনগত উদ্যোগ অব্যাহত: সংসদীয় কমিটি পশ্চিমবঙ্গে ‘আসসালামু আলাইকুম’-‘ইনশাআল্লাহ’ বলার বিতর্কের মধ্যে নারী মুসলিম পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি গুলশান ও ধানমন্ডিসহ রাজধানীর একাধিক লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ
Skip to content

প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটু মাটি চাইলেন রুবেলের স্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক :

সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক স্পিন অল-রাউন্ডার মোশাররফ হোসেন রুবেল। গত ১৯ এপ্রিল সন্ধ্যায় পুরো ক্রিকেটবিশ্বকে কাঁদিয়ে প্রাণঘাতী ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তিনি হেরে যান। সেদিনই রাতে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয় এই ক্রিকেটারকে। বনানী কবরস্থানে প্রতিটি কবরের স্থায়িত্ব দুই বছর। এই সময়ের পর সেই জায়গাই হয়ে যাবে অন্য কারও। তাই রুবেলের কবরটি স্থায়ী করার অনুরোধ জানালেন তার স্ত্রী চৈতি ফারহানা রুপা।  শুক্রবার (২২ এপ্রিল) একমাত্র সন্তান রুশদানকে নিয়ে চৈতি বনানী করবস্থানে এসেছিলেন মোশাররফ হোসেন রুবেলের কবর জিয়ারত করতে। কবর জিয়ারত শেষে তিনি সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এই অনুরোধ জানান। বনানী কবরস্থানে স্থায়ীভাবে জায়গা রাখতে হলে প্রায় এক কোটি টাকা প্রয়োজন। কিন্তু তিন বছর ধরে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে করতে প্রয়াত মোশাররফের পরিবার এখন নিঃস্ব প্রায়! সেখানে এক কোটি টাকা কোথায় পাবেন চৈতি? তাই কাঁদতে কাঁদতে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘রুবেল তো আসলে আমাদের সবার, তাই না? রুবেল তো দেশের জন্য খেলেছে। সত্যি কথা বলতে, এখানে স্থায়ী করতে হলে অনেক টাকা লাগে, প্রায় এক কোটি টাকা। আমার কাছে তো এত টাকা নেই। আমি চাই, রুবেলের কবরটা স্থায়ী হোক। রুবেল যেন একটু মাটি পায়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার একটাই চাওয়া, উনি তো অনেককে অনেক কিছু দেন। তিনি তো আমাদের ক্রিকেটারদের জন্য অনেক কিছু করেন। জীবিত ক্রিকেটারদের জন্য তো ওনার অনেক কিছু… আমার রুবেলের জন্য কি একটু মাটি তিনি দেবেন না? রুবেলের জন্য একটা স্থায়ী ঠিকানা, যাতে আমার ছেলেটা দেখতে পারে। দুই বছর পর আমরা তো পারব না রুবেলকে দেখতে। রুবেল তো কোথাও নেই, শুধু এখানে আছে। ‘