সাম্প্রতিক
একনেকে ৩ মেট্রোরেল প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় আড়াই লাখ কোটি টাকা রামপালের ২ নম্বর ইউনিট বন্ধ: বাড়ছে লোডশেডিং, এখনো পৌঁছায়নি ভারতীয় প্রকৌশলী ভারতের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ক্ষমতা পাচ্ছে ট্রাম্প আনিসুলের ১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ, ৭৩৭ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেন আবুল বারকাতের দুই ফ্ল্যাট-গাড়িসহ সম্পদ জব্দ, ১৬ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ জাফর ইকবাল ও মাকসুদ কামালসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল: ওসির পর এবার ডিসি প্রত্যাহার ১৮ দিন পর ব্যাগ-মোবাইলসহ ‘আসল আসামি’ ধরার দাবি করল ডিবি একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ, ক্লাস শুরু ২৪ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে আগস্টে নতুন রেকর্ড
Skip to content

মারিউপোলে ১৬ হাজার বাসিন্দাকে গণকবর দিয়েছে রুশ

অনলাইন ডেস্ক :

ইউক্রেনের বন্দরনগরী মারিউপোলে কমপক্ষে ১৬ হাজার বাসিন্দাকে একাধিক গণকবরে সমাহিত করেছে রুশ বাহিনী। বর্তমানে রুশ নিয়ন্ত্রিত শহরটির ইউক্রেনীয় মেয়র ভাদিম বয়চেঙ্কো এমন দাবি করেছেন। মারিউপোলের স্ত্রারি ক্রিম, মানহুশ ও ভিনোহরেদন গ্রামের কাছে এসব গণকবর রয়েছে। খবর আল-জাজিরার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে ভাদিম বয়চেঙ্কো বলেন, দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরীটিতে গত মাসে স্ত্রারি ক্রিম সমাধিক্ষেত্রে নতুন করে খোঁড়া ২৫টি গর্ত দেখা গেছে। এসব গর্তে কয়েক স্তরে মরদেহ রাখা হয়। এরপর ব্যক্তিগত সমাধির মতো করে সেগুলো ঢেকে দেওয়া হয়। ভাদিম বয়চেঙ্কো বলেন, ‘আমাদের আনুমানিক হিসাব অনুযায়ী মারিউপোলে ২২ হাজার মানুষ মারা গেছেন। কিন্তু প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, রুশ ফ্যাসিস্টদের অপকর্মের ফল আরো ভয়াবহ। এই ঘটনা এবং দখলদারদের অধীনে জনগণের ভয়াবহ অবস্থার প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিশেষ নজর প্রয়োজন।’ মারিউপোলের ইউক্রেনীয় এই মেয়র দাবি করেন, এখনো হাজারো মরদেহ ধ্বংসস্তূপ, সাধারণ সমাধিক্ষেত্র ও অস্থায়ী মর্গে পড়ে আছে। অবশ্য হতাহতের এই সংখ্যা আলাদাভাবে যাচাইয়ের বিষয়ে কিছু বলেনি আল-জাজিরা। প্রতিবেদনে এ বিষয়ে রুশ কর্মকর্তাদেরও কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি। যুদ্ধে রুশ সেনা ও বেসামরিক নাগরিকদের হতাহতের সংখ্যা প্রায়শই বাড়িয়ে বলতে দেখা যায় ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা শুরু করে রাশিয়া। শুরু থেকে দক্ষিণাঞ্চলীয় গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর মারিউপোলের নিয়ন্ত্রণে নিতে ব্যাপক হামলা চালায় রুশ বাহিনী। কয়েক দিন আগে আজভস্তাল ইস্পাত কারখানায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়া ইউক্রেনীয় বাহিনীর সর্বশেষ দলটি আত্মসমর্পণ করলে মারিউপোলের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নেয় তারা।