সাম্প্রতিক
একনেকে ৩ মেট্রোরেল প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় আড়াই লাখ কোটি টাকা রামপালের ২ নম্বর ইউনিট বন্ধ: বাড়ছে লোডশেডিং, এখনো পৌঁছায়নি ভারতীয় প্রকৌশলী ভারতের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ক্ষমতা পাচ্ছে ট্রাম্প আনিসুলের ১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ, ৭৩৭ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেন আবুল বারকাতের দুই ফ্ল্যাট-গাড়িসহ সম্পদ জব্দ, ১৬ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ জাফর ইকবাল ও মাকসুদ কামালসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল: ওসির পর এবার ডিসি প্রত্যাহার ১৮ দিন পর ব্যাগ-মোবাইলসহ ‘আসল আসামি’ ধরার দাবি করল ডিবি একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ, ক্লাস শুরু ২৪ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে আগস্টে নতুন রেকর্ড
Skip to content

সংঘর্ষের জেরে চুয়েট বন্ধ ঘোষণা, হল ত্যাগের নির্দেশ

ফাইল ছবি

ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের জেরে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) আগামী ৫ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ ও সকল পরীক্ষা স্থগিত করেছে কৃর্তপক্ষ। একই সময় শিক্ষার্থীদেরকে হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধানদের নিয়ে উপাচার্যের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভা থেকে এই সিদ্ধান্ত আসে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চুয়েটের উপ পরিচালক ফজলুর রহমান জানান, চুয়েট বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ছাত্রদেরকে মঙ্গলবার বিকাল ৫টার মধ্যে এবং ছাত্রীদেরকে বুধবার সকাল ১০টার মধ্যে হল খালি করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তিনি জানান, স্নাতক পর্যায়ের সকল ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। তবে স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ক্লাস ও পরীক্ষা চলবে।

চুয়েট সূত্র জানায়, গত কয়েকদিন ধরে চুয়েট ছাত্রলীগের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে ক্যাম্পাসে একাধিকবার মারামারির ঘটনা ঘটে। এর জেরে মঙ্গলবার ছাত্রলীগের একটি গ্রুপ চট্টগ্রাম শহরমুখী শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের সব বাস আটকে রাখে। ফলে শহর থেকে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে যেতে পারেনি। শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বড় একটা অংশ ক্যাম্পাসে বিকল্প পরিবহনের গিয়েছেন।

সোমবার দিবাগত রাতে ৫০ জনের মতো একটি গ্রুপ হেলমেট পরে লাঠিসোঁটা, রামদা নিয়ে ক্যাম্পাসে টহল দিয়েছে। শনিবার রাতে চট্টগ্রাম শহরে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেন চুয়েট ছাত্রলীগের একটি গ্রুপের নেতাকর্মীরা। অনুষ্ঠান শেষ হতে দেরি হওয়ায় চুয়েটের রাত ৯টার বাসটি ৩০ মিনিট দেরিতে ছাড়তে বলে তারা। তবে একই বাসে থাকা অন্য একটি গ্রুপের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এর বিরোধিতা করে। মূলত এইসব বিষয় নিয়েই দুই গ্রুপের মধ্যে বিরোধ ও মারামারির ঘটনায় ক্যাম্পাস উত্তপ্ত হয়ে উঠে।

চট্টগ্রামের সহকারী পুলিশ সুপার (রাঙ্গুনিয়া সার্কেল) মো. আনোয়ার হোসেন শামীম বলেন, চুয়েটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমাদের পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়ন রয়েছে।

—-ইউএনবি