সাম্প্রতিক
আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে হরতাল-ধর্মঘট অবৈধ: হাইকোর্ট স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে না: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, গ্রেপ্তার আরও ৪০ জোর করে শিক্ষকের পদত্যাগের বৈধতা নেই, পুনর্বহালের নির্দেশ হাইকোর্টের ৫০০ টাকার ভারত-মিয়ানমারের ইলিশ ‘পদ্মার’ নামে বিক্রি ১৪০০-১৮০০ টাকায় খালি ‘ইন্ডিয়া ইন্ডিয়া’ না করে নিজের দেশের চিন্তা করেন: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফারইস্টের নজরুলের ৫৭ কোটি ৬১ লাখ টাকার সম্পদ ক্রোক, যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ির খোঁজে দুদক চাঁদের ছবিতে মার্কিন পতাকা, ট্রাম্প লিখলেন ‘চাঁদ আমাদের’ ঢাকা সিটিতে এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা, উত্তরে আসিফ মাহমুদ-দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভারতকে টপকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার এখন যুক্তরাষ্ট্র
Skip to content

সখীপুরের গড়বাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান

জেলা প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল:
টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের গড়বাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান চলছে। এ নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। ভবনের ছাদ থেকে পলেস্তরা খসে পড়ছে। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৪ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর বিদ্যালয়ের ভবনটি নির্মাণ করে। পুরোনো ভবনটির বিভিন্ন স্থানে পলেস্তরা খসে পড়ছে। ভবনের দেয়াল নষ্ট হয়ে গেছে। দরজা-জানালা ভেঙে গেছে। ফাটল ধরায় বর্ষার সময় ছাদ চুঁইয়ে পানি পড়ে। ঝড়-বৃষ্টিতে পাঠদান বন্ধ থাকে। ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুবেল, আল-আমিন, সিফাত, মিলন ও রুমানা জানায়, ক্লাস চলাকালে মাঝে মধ্যে ছাদের পলেস্তরা খসে আমাদের মাথায় পড়ে। এতে আমাদের সহপাঠী অনেকেই আহত হচ্ছে। আবার ঝড়-বৃষ্টি হলে আমরা খুব আতঙ্কে থাকি। স্থানীয় বাসিন্দা শেখ ফরিদুজ্জামান ফরিদ বলেন, বাইরে থেকে পরিপাটি বুঝা গেলেও ভবনটির অবস্থা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। একটি নতুন ভবন নির্মাণের জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহব্বান জানান।
বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মিজানুর রহমান বলেন, ভবন নির্মাণের পর কয়েক দফায় এটির সংষ্কার করা হলেও এতে সমাধান হয়নি। মূলত এটি পূনঃনির্মাণ করা প্রয়োজন। যে কোন সময় প্রাণহানির মতো দুর্ঘটনার আশঙ্কা করেন তিনি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফ তালুকদার বলেন, বিদ্যালয়ে বর্তমানে দুই শতাধিক ছাত্রছাত্রী ও ৫ জন শিক্ষক রয়েছে। ভবনটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়লেও শিক্ষার্থীদের পাঠদান অব্যাহত রাখতে ঝুঁকি নিয়েই পাঠদান চালাতে হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপকে জানানো হয়েছে।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রাফিউল ইসলাম বলেন, বিষয়টি জানা নেই। ঝুঁকিপূর্ণ হলে সরেজমিনে দেখে শিগগিরই নতুন ভবন নির্মাণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী বিদ্যুৎ কুমার দাস বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি পূনঃনির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।