সাম্প্রতিক
আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে হরতাল-ধর্মঘট অবৈধ: হাইকোর্ট স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে না: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, গ্রেপ্তার আরও ৪০ জোর করে শিক্ষকের পদত্যাগের বৈধতা নেই, পুনর্বহালের নির্দেশ হাইকোর্টের ৫০০ টাকার ভারত-মিয়ানমারের ইলিশ ‘পদ্মার’ নামে বিক্রি ১৪০০-১৮০০ টাকায় খালি ‘ইন্ডিয়া ইন্ডিয়া’ না করে নিজের দেশের চিন্তা করেন: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফারইস্টের নজরুলের ৫৭ কোটি ৬১ লাখ টাকার সম্পদ ক্রোক, যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ির খোঁজে দুদক চাঁদের ছবিতে মার্কিন পতাকা, ট্রাম্প লিখলেন ‘চাঁদ আমাদের’ ঢাকা সিটিতে এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা, উত্তরে আসিফ মাহমুদ-দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভারতকে টপকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার এখন যুক্তরাষ্ট্র
Skip to content

রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য প্রথম কয়লার চালান ইন্দোনেশিয়া থেকে পৌঁছেছে

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ইন্দোনেশিয়া থেকে জ্বালানির কয়লার প্রথম চালান এসেছে এবং অক্টোবর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে বলে শুক্রবার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) আনোয়ারুল আজিম জানান, বাংলাদেশ পতাকাবাহী জাহাজ ‘এম ভি আকিজ হেরিটেজ’ করে ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা ৫৪ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে ৩১ জুলায় চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়।

তিনি জানান, সেখান থেকে ১৮ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন কয়লা খালাস করা হয় এবং তিনটি লাইটার জাহাজে করে বৃহস্পতিবার বিকালে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের টার্মিনালে আনা হয়।

ডিজিএম আনোয়ারুল আজিজ জানান, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে, এরপর অক্টোবর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে উৎপাদনে যাবে।

এমভি আকিজ হেরিটেজের মালিক ও টগি শিপিংয়ের ব্যবস্থাপক মো. খানদাকার রিয়াজুল হক জানান, গত ২০ জুলাই ইন্দোনেশিয়ার তানজুম ক্যাম্ফা বন্দর থেকে ৫৪ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে জাহাজটি ছেড়ে আসে। এরপর গত ৩১ জুলাই চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজটি ভিড়ে। সেখানে ১৮ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন কয়লা খালাস করে তিনটি লাইটার জাহাজে ওঠানো। বাকি ৩৬ হাজার মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে আকিজ হেরিটেজ মোংলা বন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে আসে।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্তৃপক্ষের মতে, ভারত হেভি ইলেকট্রিক্যাল লিমিটেড (বিএইচএল),

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্র জানায়, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মূল অবকাঠামো নির্মাণের দায়িত্বে রয়েছে ভারত হেভি ইলেক্ট্রিক্যাল লিমিটেড (বিএইচইল) নামে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংস্থা। ২০১০ সালে ভূমি অধিগ্রহণের মাধ্যমে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়। ২০১২ সালে আনুষ্ঠানিক শুরু হয় নির্মাণকাজ।

প্রকল্পটির নির্মাণে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬ হাজার কোটি টাকা। এখান থেকে দুই ইউনিটে ৬৬০ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা রয়েছে।