Skip to content

LIVE 51'
Ivory Coast
0-0
Ecuador
Source: ESPN

এশিয়া কাপ : ওপেনিংয়ে নামতে পারে মুশফিক-সাকিব

অনলাইন ডেস্ক :

টি-টোয়েন্টিতে উদ্বোধনী জুটি নিয়ে ক্রমাগত ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশ এশিয়া কাপের জন্য আপতকালীন ব্যবস্থার পরিকল্পনা করেছে। মিডল অর্ডার থেকে অভিজ্ঞ কোনো ব্যাটসম্যানকে কিংবা ঘরোয়া ক্রিকেটে টুকটাক ওপেনিংয়ের অভিজজ্ঞতা আছে, এমন কাউকে ইনিংসের শুরুতে তুলে আনা হবে বলে জানালেন টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ। সদ্য সমাপ্ত জিম্বাবুয়ে সফরে বাংলাদেশের স্কোয়াডে ওপেন করার মতো ব্যাটসম্যান রাখা হয়েছিল ৫ জন। তাতে একাদশের ভারসাম্য রক্ষায় হিমশিম খায় দল। নুরুল হাসান সোহান চোট পাওয়ার পর শেষ টি-টোয়েন্টির জন্য স্কোয়াডের বাইরে থেকে আনা হয় মাহমুদউল্লাহকে। সামনে এশিয়া কাপের স্কোয়াডে আবার ভিন্ন চিত্র। ১৭ জনের দলে স্বীকৃত ওপেনার ¯্রফে দুই জন। তাদের কারও জায়গা পাকা নয় দলে। তাদের একজন, এনামুল হক মাত্র কদিন আগে দলে ফিরেছেন দীর্ঘদিন পর। আরেকজন পারভেজন হোসেন ইমন, জিম্বাবুয়েতে শেষ টি-টোয়েন্টিতে দিয়ে যে তরুণের কেবল অভিষেক হলো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। এই বছর ৮টি টি-টোয়েন্টি খেলে ৫টি ভিন্ন উদ্বোধনী জুটি ব্যবহার করেছে বাংলাদেশ। লাভ হয়নি খুব একটা। ওপেনারদের মধ্যে কেবল লিটন দাসও একটু রান করছিলেন। চোটের কারণে তিনি ছিটকে গেছেন এশিয়া কাপ থেকে। দল ঘোষণার সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, মিডল অর্ডার থকে কাউকে ওপেনিংয়ে তুলে আনার চিন্তা আছে তাদের। বিসিবিতে সোমবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে খালেদ মাহমুদ শোনালেন পরিকল্পনার আরেকটু বিস্তারিত। “আমাদের ওপেনাররা কেউ ভালো করছে না। এটা মাথায় নিতে হবে। জিম্বাবুয়েতে আমরা কয়েকজনকে দেখেছি, ভালো করেনি। তামিম ইকবালের না থাকাটা একটা ধাক্কা আমাদের জন্য। আমাদের মেক-শিফট করতে হবে। বিভিন্ন উইকেটের পরিকল্পনা করে হয়তো আমরা মেক-শিফট করব। কে হবে বা কে করবে না, এটা এখনই বলছি না। তবে আমরা অনেক চিন্তা করেছি।” “অভিজ্ঞদের মধ্যে থেকে খুঁজে বের করতে চাই, যারা টি-টোয়েন্টি অনেক খেলেছে। কিংবা যারা ঘরোয়া ক্রিকেটে কিছুকিছু ক্ষেত্রে ওপেন করেছে। তাদেরকে আমরা চিন্তা করতে পারি, কারও ব্যাটিং পজিশন বদলে দিয়ে। এশিয়া কাপে আমরা করতে পারি এসব।” সেক্ষেত্রে সম্ভাব্য বিকল্প ওপেনার কারা হতে পারেন, সেটির একটি ধারণাও দিলেন টিম ডিরেক্টর। তাদের ভাবনায় আছেন বেশ কজনই। “স্বীকৃত ওপেনার এখানে আছে বিজয় (এনামুল) ও পারভেজ ইমন। তবে বাকি অনেকেই কিন্তু লোকাল ক্রিকেটে ওপেন করেছে। আমরা ওভাবেই ভাবছি। মুশফিক হতে পারে, সাকিবও হতে পারে। মিরাজ হতে পারে, শেখ মেহেদিও ওপেন করেছে। সুতরাং অনেকগুলো অপশন আছে আমাদের হাতে।” ওপেনিংয়ে যেমন কাউকে খুঁজে পাওয়া মুশকিল, তেমনি মিডল অর্ডারে অনেক বেশি ক্রিকেটারের ছড়াছড়ি। সেখানে সবচেয়ে আলোচিত নাম সম্ভবত মাহমুদউল্লাহ। নেতৃত্ব হারিয়েছেন তিনি, প্রশ্ন উঠছে দলে তার জায়গা নিয়েও। গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্ব থেকে শুরু করে এই পর্যন্ত ১৪ ম্যাচে তার গড় ১৭.৪১, স্ট্রাইক রেট কবল ১০০.৪৮। মাহমুদউল্লাহকে দলে রাখার ক্ষেত্রে নির্বাচকরা বলেছিলেন তার অভিজ্ঞতার কথা। বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি টি-টোয়েন্টি খেলা (১১৯ ম্যাচ) ক্রিকেটারকে নিয়ে একই কথা বললেন টিম ডিরেক্টরও। পাশাপাশি তিনি জানিয়ে রাখলেন, যে কোনো পজিশনের জন্য প্রস্তুত রাখা হবে অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানকে। “আমাদের হাতে কিন্তু এত ক্রিকেটার নেই। চাইলেও হুট করে একটা দল বদলানো যাবে না। অনেক কঠিন। এরপর চোটের একটা শঙ্কা আমাদের আছেই। বেশ কজন ইনজুরিতে আছে। সেটাও মাথায় রাখতে হচ্ছে।” “মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের জায়গা তো থাকবেই। এই সংস্করণে অনেক অভিজ্ঞ সে, ১২০টির মতো ম্যাচ খেলেছে। পজিশন আমি নির্দিষ্ট করে দিচ্ছি না। রিয়াদকে হয়তো ওপরে ব্যাট করতে হতে পারে, সাত-আটেও করতে হতে পারে।” আগামী ২৭ অগাস্ট শুরু এশিয়া কাপ। বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ৩০ অগাস্ট, আফগানিস্তানের বিপক্ষে।