সাম্প্রতিক
নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে অস্বস্তিতে ক্রেতারা ঢাকায় অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে নতুন পরিকল্পনা, কতটা কার্যকর হবে? রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: ৪ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সুপারিশ, তদন্তে আরও ৪ জন হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ডেঙ্গুতে একজনের প্রাণহানি তিন ফিফটিতে বাংলাদেশের ৩১৭, প্রথম দিনেই নাটকীয় উত্থান-পতন শেখ হাসিনার আমলে দুই বিচার নিয়ে কী বলেছিলেন নাভি পিল্লাই? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ-নেপালের মতো ‘নৈরাজ্য’ সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগ বিজেপির মোটরসাইকেলে এসে বিকাশকর্মীদের গাড়িতে গুলি, দুই বস্তায় থাকা তিন কোটি টাকা লুট নাভি পিল্লাইয়ের নোবেল জয়ের পরই আইসিসির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশে দরিদ্র হওয়ার ঝুঁকিতে ছয় কোটি ২০ লাখ নিম্ন মধ্যবিত্ত
Skip to content

বিসিবির কাছে ১ বছরের সময় চাইলেন সিডন্স

অনলাইন ডেস্ক :

জাতীয় দলের দায়িত্ব থেকে কিছুটা সরিয়ে জেমি সিডন্সকে ভবিষ্যতের ব্যাটসম্যান গড়ে তোলার কাজে লাগাতে চায় বিসিবি। বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং কোচ নিজেও এই কাজ করতেই বেশি আগ্রহী বলে জানালেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান। ১ বছরের মধ্যে পজিশন ধরে ধরে ব্যাটসম্যান তৈরি করে দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ান এই কোচ। সিডন্স এই দফায় বাংলাদেশের দায়িত্ব নেওয়ার আগে এরকমই আলোচনা ছিল। তরুণ ও উঠতি ব্যাটসম্যানদের ঘষেমেজে তৈরি করার জন্যই তাকে আবার বাংলাদেশের ক্রিকেটে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে বলে তখন জানিয়েছিল বিসিবি। জাতীয় দলের সাবেক এই প্রধান কোচ যখন গত ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরেন, তখন তার পদের নাম ছিল ‘বিসিবির ব্যাটিং পরামর্শক।’ সিডন্স আসার মাস দেড়েক পরই বাংলাদেশের দায়িত্ব ছেড়ে দেন জাতীয় দলের তখনকার ব্যাটিং কোচ অ্যাশওয়েল প্রিন্স। সিডন্স তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হয়ে যান। এখনও পর্যন্ত সেভাবেই চলছে। তবে সামনেই সিডন্সের এই পথের বাঁক বদল হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দলের টেকনিক্যাল কনসালটেন্ট হিসেবে আগামী বিশ্বকাপ পর্যন্ত শ্রীধরন শ্রীরামকে নিয়োগ দেওয়ার কথা শুক্রবার দুপুরে জানান বিসিবি সভাপতি। এই ঘোষণার সংবাদ সম্মেলনেই সিডন্সকে নতুন ভাবে কাজে লাগানোর কথাও জানান তিনি। “সিডন্সের সঙ্গে কথা আগে থেকেই ছিল যে শুধু জাতীয় দল নিয়ে কাজ করবে না, ডেভেলপমেন্টে কাজ করবে। ওরও ইচ্ছে এরকমই ছিল। কিন্তু এখানে আসার পর শুধু জাতীয় দলের সঙ্গেই ভ্রমণ করছে। ডেভেলপমেন্টে কাজই করতে পারছে না। জাতীয় দলের ব্যস্ততার ফাঁকে সময়ই পাচ্ছে না। সামনে সে মূলত ডেভেলপমেন্টে কাজ করবে।” “বিভিন্ন বয়সী ১০-১৫-২০টি ছেলে যদি আমরা তাকে দিয়ে দেই, এইচপিতে এরকম ছেলে আছে, ‘এ’ দল, বাংলাদেশ টাইগার্সে আছে। ওদের নিয়ে কাজ করে সে তৈরি করে দেবে। সে এক বছর সময় চাচ্ছে। এরপর সে (ব্যাটিং) পজিশন ধরে ধরে আমাদের ব্যাটসম্যান দিতে পারবে।” তবে সিডন্সকে এখনই উঠতি ক্রিকেটারদের নিয়ে কাজ করার দায়িত্ব দিলে এশিয়া কাপে জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচের জায়গায় শূন্যতা তৈরি হবে। এটিও ভাবাচ্ছে বিসিবি সভাপতিকে। “টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সে (সিডন্স) অবশ্যই জাতীয় দলের সঙ্গে যাবে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এশিয়া কাপে তাকে পাঠাব কিনা। না পাঠালে দলকে যেতে হবে ব্যাটিং কোচ ছাড়া, এটাও খারাপ। আবার সে গেলে এখানে ডেভেলভপমেন্টের কাজ হবে না।” “অনেক ইস্যু আছে। এসব নিয়ে আলাপ-আলোচনা হচ্ছে। ২২ তারিখে আমরা আশা করি চূড়ান্ত করে ফেলব।”