সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

লালবাগ থানায় দৃষ্টিনন্দন গ্রন্থাগার

বই পড়ার অভ্যাস দিন দিন কমছে। ভার্চুয়াল দুনিয়ার ব্যস্ততায় বইয়ের পাতার গন্ধের স্মৃতি এখন অনেকের কাছেই অতীত। তাই এই অভ্যাস যেন মানুষের মধ্যে আবারও ফিরে আসে সেই প্রয়াস থেকে রাজধানীর লালবাগ থানায় এ বছর তৈরি করা হয়েছে গ্রন্থাগার।

লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এম মুর্শেদ ইউএনবিকে জানান, বিভিন্ন প্রয়োজনে মানুষ থানায় যারা আসেন তাদের অনেক সময় অপেক্ষা করতে হয়। সেই সময়টা যেন তারা বই পড়ার মাধ্যমে ব্যয় করতে পারে সেই উদ্দেশ্যেই গ্রন্থাগারটি করা।

শুধু তাই নয়, এলাকাবাসীদের জন্যেও এই গ্রন্থাগার উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। বসে বই পড়ার সুযোগের পাশাপাশি কেউ চাইলে বাসায় বই নিয়ে যেতে পারেন।

গ্রন্থাগার নিয়ে এম এম মুর্শেদ বলেন, ‌‘বই পড়ার অভ্যাসটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা ডিজিটাল দুনিয়ায় এখন এতো ব্যস্ত যে বই পড়ার অভ্যাস দূর হয়ে যাচ্ছে। সেই চিন্তা থেকে আমাদের ডিপার্টমেন্টের অনেকের সহযোগিতায় গ্রন্থাগারের উদ্যোগটি নেয়া। আমরা চেষ্টা করছি এখানে বইয়ের সংগ্রহ আরও বাড়াতে।’

রাজধানীর বেড়ি বাঁধ রাস্তার পাশেই লালবাগ থানার নতুন ভবন। দৃষ্টিনন্দন এই থানার দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে গ্রন্থাগারটি তৈরি হয়েছে। সেখানে প্রবেশ করতেই বাম পাশে চোখে পড়বে পুরো দেয়ালজুড়ে বইয়ের সমাহার।

গ্রন্থাগারে সংগ্রহে রয়েছে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অনেকগুলো বই। এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন উপন্যাস, ছোটগল্প, আইনবিষয়ক বই, গোয়েন্দা গল্পসহ নানা ধরনের সংগ্রহ। মূলত বিভিন্ন বয়সের পাঠকদের কথা চিন্তা করে গ্রন্থাগারটি সাজানো হয়েছে।

গ্রন্থাগারে আসা একজন পাঠক ইউএনবিকে বলেন, ‌‘আমি মূলত একটি জিডি করার জন্য থানায় এসেছি। কিছুক্ষণ যেহেতু অপেক্ষা করতে হবে তাই লাইব্রেরিতে আসা। বেশ নান্দনিক উদ্যোগ লেগেছে আমার কাছে। কয়েকটি পছন্দের বই পেলাম এখানে সেগুলোর একটি পড়ে সময় কেটে গেল। এমন উদ্যোগ দেশের প্রতিটি থানায় করা গেলে আরও ভালো হবে মনে করি।’

থানার কর্মকর্তাদের অনেকেরই রয়েছে বই পড়ার অভ্যাস। কিন্তু কর্মরত থাকা অবস্থায় গ্রন্থাগারে বসে বই পড়ার অভ্যাসটা হয় না অনেকের। তাই সুযোগ হলে পছন্দের বইটি বাসায় নিয়ে যান তারা।

—-ইউএনবি