সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

পাবনায় ২ সহোদরকে হত্যার ঘটনায় খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও কুশপুত্তলিকা দাহ

জেলা প্রতিনিধি, পাবনা :

পাবনার সুজানগর উপজেলার তাঁতিবন্দ ইউনিয়নের ভবানীপুরে সাবেক পুলিশ সদস্য ও তার ভাই হত্যার ঘটনায় গ্রামবাসীর উদ্যোগে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়। কর্মসূচি চলাকালে বিক্ষুব্ধ স্বজন ও গ্রামবাসী ঝাঁটা প্রদশর্ন করেন।

শনিবার বেলা ১১ টায় ঘন্টাব্যাপী তীব্র রোদ আর ভ্যাপসা গরম উপেক্ষা করে ভবানীপুরে নিহত জাহাঙ্গীর আলমের বাড়ির সামনে আঞ্চলিক পাকা সড়কের সামনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধন শেষে কুশপুত্তলিকায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে।

মানববন্ধন চলাকালে নিহত জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী জলি পারভীন, ছেলে জুবায়ের খন্দকার, গ্রামবাসী ও স্বজন মোস্তাক আহমেদ, হাফিজ খন্দকার, আতিকুর রহমান, মমেনা খাতুন, নাজমা খাতুনসহ অনেকেই বক্তব্য দেন।

গ্রামবাসীর অভিযোগ, হত্যার ঘটনায় পুলিশ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করলেও বেশ কিছু আসামী এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। জোড়া হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে তাদের ফাঁসির দাবী জানান তারা।
নিহতের স্বজনেরা জানান, হত্যাকারীরা দীর্ঘদিন ধরে নিহত জাহাঙ্গীর আলমের কাছে চাঁদা দাবী করে আসছিল। চাঁদাবাজি ছাড়াও এলাকায় সন্ত্রাসী, জুয়া ও মাদক ছড়ানো কর্মকান্ডে জড়িত। হত্যাকারীরা নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী সংগঠনের হওয়ায় এদের ভয়ে কেউ তাদের কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করতে সাহস পেত না। নিহত পুলিশ সদস্য তাদের কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করায় তাদের দুই ভাইকে হত্যা করা হয়।
প্রসঙ্গত, ২২ আগস্ট সকালে সন্ত্রাসীরা জাহাঙ্গীর আলমকে প্রকাশ্য ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। এ সময় তার ভাই মতিউর রহমান এগিয়ে তাকেও কুপিয়ে জখম করে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩০ আগস্ট তিনি মারা যান। নিহতের পুত্র জুবায়ের হোসাইন বাদী হয়ে ২২ জন নামীয়সহ অজ্ঞাতনামা ২৫ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ এ পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

নিহতের ছেলে জুবায়ের হোসাইন জানান, মামলা দায়েরর পর আসামীরা তাদের পরিবারকে নানা ভাবে হুমকি ধামকি দিচ্ছে। এমনকি মামলা তুলে না নিলে আরও লাশ ফেলার হুমকি ধামকি দিচ্ছে।
এ ব্যাপারে সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নান এলাকাবাসীর কর্মসূচি সম্পর্কে জ্ঞাত দাবী করে বলেন, মামলায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পুলিশ বাকি আসামী ধরতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে আসেনি। মামলাটি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।