সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

সাংবাদিক তোয়াব খানকে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন

প্রবীণ সাংবাদিক তোয়াব খানের প্রতি রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন সর্বস্তরের মানুষ।

সোমবার সকালে দৈনিক বাংলা কার্যালয়ে তার প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এবং সেখান থেকে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তার মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিয়ে যাওয়া হয়। দুপুর ১২টা পর্যন্ত তার মরদেহ সেখানে রাখা হয়, যেখানে লোকজন শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

পরে বেলা ১টার দিকে খানের কফিন জাতীয় প্রেসক্লাবে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তার দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

সাংবাদিকরা তার কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।

এসময় বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, প্রথম আলো, দৈনিক জনকণ্ঠ, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস), বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টসহ বিভিন্ন সংগঠন ও সংবাদপত্রের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে তার তৃতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এবং বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

একুশে পদকপ্রাপ্ত তোয়াব খান গত শনিবার ৮৭ বছর বয়সে ইউনাইটেড হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

খান ১৯৫৩ সালে তার সাংবাদিকতা জীবন শুরু করেন এবং ১৯৫৫ সালে দৈনিক সংবাদে যোগ দেন। ১৯৬১ সালে তিনি দৈনিক সংবাদের বার্তা সম্পাদক হন। এরপর ১৯৬৪ সালে দৈনিক পাকিস্তানে যোগ দেন। দেশ স্বাধীনের পর দৈনিক পাকিস্তান থেকে বদলে যাওয়া দৈনিক বাংলার প্রথম সম্পাদক ছিলেন তোয়াব খান। ১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি তিনি দৈনিক বাংলার সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রেস সচিব ছিলেন। প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ও প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালকের দায়িত্বও পালন করেন তিনি।

মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করতে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে বলিষ্ঠ কণ্ঠের ভূমিকাও পালন করেন এই প্রবীণ সাংবাদিক।

এছাড়া মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে শব্দসৈনিকের ভূমিকা পালন করেন তোয়াব খান। সে সময় তার আকর্ষণীয় উপস্থাপনায় ‘পিণ্ডির প্রলাপ’ নামের অনুষ্ঠানটি নিয়মিত প্রচারিত হয়। দৈনিক জনকণ্ঠের শুরু থেকে গত বছরের অক্টোবর পর্যন্ত পত্রিকাটির উপদেষ্টা সম্পাদক ছিলেন তিনি। এরপর তিনি নতুন আঙ্গিক ও ব্যবস্থাপনায় প্রকাশিত দৈনিক বাংলার সম্পাদকের দায়িত্ব নেন।

—-ইউএনবি