সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

সুদের টাকার জন্য বসতঘর ভেঙ্গে নিয়ে গেল সুদখোর মহাজন

মোঃ আবু রায়হান, শেরপুর প্রতিনিধিঃ

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে সুদের টাকা দিতে না পাড়ায় সাদেকুল ইসলাম নামে এক দরিদ্র পরিবারের বসতঘর ভেঙ্গে নিলো সুদখোর মহাজন। গত (১৭ অক্টোবর) সোমবার উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের গৌরীপুর গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। সাদেকুল ইসলাম স্থানীয় আব্দুর রহমানের ছেলে। সংসারে অভাব অনটনের কারনে পুরো পরিবারে নিয়ে ঢাকায় থাকেন সাদেকুল ইসলাম।
সাদেকুল ইসলাম জানান, তিনি প্রতিবেশী আব্দুল মালেকের কাছ থেকে গত প্রায় দুই বছর পূর্বে ১৮ হাজার টাকা সুদে ঋণ নেন। পরে সুদে আসলে ২৩ হাজার টাকা পরিশোধ ও করেন তিনি। কিন্তু আব্দুল মালেক এর দাবী আরও ৪০ হাজার টাকা পাবেন তিনি।
আব্দুল মালেক গত (১৬ অক্টোবর) রবিবার ঢাকায় থাকা সাদেকুল ইসলামকে ফোনে জানান, তার পাওনা ৪০ হাজার টাকা না দিলে সাদেকুলের বসতঘর ভেঙ্গে নিয়ে যাওয়ার হুমকি প্রদর্শন করে। পরে গত (১৭ অক্টোবর) সোমবার আব্দুল মালেক তার লোকজন নিয়ে সাদেকুল ইসলামের একটি টিনসেট ঘর ভেঙ্গে নিয়ে যায় এবং ঘরে থাকা অনেক মালামালও নিয়ে যায়।

খবর পেয়ে ঢাকা থেকে বাড়িতে এসে এ ব্যাপারে সাদেকুল ইসলাম বাদী হয়ে ৪ জনকে আসামী করে ঝিনাইগাতী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়েই থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এ বিষয়ে আব্দুল মালেক বলেন, আমি ঘরটি ৬০ হাজার টাকা দিয়ে কিনে নিয়েছি। আমি কোন সুদের ব্যবসা করি না। ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল আলম ভূইয়া বলেন এ ব্যাপারে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, অত্র উপজেলায় জমজমাট সুদের ব্যবসা চলছে। অনেক দরিদ্র ও অস্বচ্ছল পরিবার বিপাকে পরে সুদখোর মহাজনদের নিকট থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে তাদের প্রয়োজনীয় চাহিদা মিটায়। কিন্তু এই চড়া সুদের ঋণের টাকা পরিশোধ করতে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে ঘর-বাড়ি, দোকান-পাঠ রেখে পালিয়ে ঢাকায় পারি জমিয়েছে বহু পরিবার। কারণ চড়া সুদের ঋণের টাকা ও সুদের টাকা ছোট-খাট দোকানের মালামাল ও দরিদ্র লোকের ঘর-বাড়ী বিক্রি করেও সুদখোর মহাজনের ঋণের টাকা পরিশোধ করা সম্ভব হয় না। তাই সুদখোর মহাজনদের নির্মম পাষবিকতার কারনে এলাকা ছেড়ে রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যায়।