সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

মেধাবী শিক্ষার্থী শামীমের পাশে দাঁড়ালেন ইউএনও

জেলা প্রতিনিধি, রংপুর (গঙ্গাচড়া) :

দরিদ্র পরিবারের মেধাবী সন্তান শামীম। তার স্বপ্ন পুরনে পাশে দাঁড়ালেন ইউএনও এরশাদ উদ্দিন পিএএ। বাবা মা অতিকষ্টে লেখাপড়ার খরচ চালিয়েছে। শামীম লেখাপড়ায় মেধাবী। সে এসএসসি ও এইচএসসি জিপিএ-৫ পেয়ে উৎর্তীণ হয়েছে। তার ইচ্ছা ভাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে লেখাপড়া করে বাবা মার মুখে হাসি ফুটাবে। শামীম সুযোগ পেয়েছে হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগে। কিন্তু দরিদ্র বাবা মার সামর্থ নেই তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিসহ ম্যাসে রেখে লেখাপড়ার খরচ চালানোর। নিরুপায় শামীম মনোবল না হারিয়ে গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এর কাছে আবেদন করেন। তার আবেদনে ইউএনও সারা দিয়ে পাশে দাঁড়ান। নিজ উদ্যোগে নিজ অফিস কক্ষে স্থাপিত মানবিক সহায়তা বক্স হতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য শামীমের বাবা মার উপস্থিতিতে ২০ হাজার টাকা তুলে দেন। এছাড়া বই কেনা ও ম্যাসে মাসিক থাকা খাওয়ার খরচের দায়িত্ব নেন ইউএনও। ৭ নভেম্বর সোমবার নিজ অফিস কক্ষে ইউএনও এরশাদ উদ্দিন পিএএ শামীমের হাতে টাকা তুলে দেওয়ার সময় মানবিক সহায়তা বক্স পরিচালনা কমিটির সদস্য উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সাজু আহম্মেদ লাল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রাবিয়া বেগম, সদস্য সচিব সমবায় অফিসার আবতাবুজ্জামান চয়ন, যাচাই-বাছাই সদস্য তথ্য আপা তাবাসসুম খুশবিসহ সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। গঙ্গাচড়া ইউনিয়নের দোলাপাড়ার মোফাজ্জল হোসেন ফিটিং ও রঞ্জিনা বেগমের সন্তান রেজওয়ান আলম শামীম। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এরশাদ উদ্দিন পিএএ জানান, শামীম তার বাবা মাসহ আমার কাছে তাকে সহযোগিতা করার আবেদন নিয়ে আসে। খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেল শামীমের বাবা মা দরিদ্র। শামীমকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির টাকা দেয়া, বই কেনা বা শামীমের মাসিক থাকা খাওয়ার খরচ চালানো তার দরিদ্র বাবা মায়ের পক্ষে সম্ভব নয়। কোন উপায় না পেয়ে হয়ত কারো নিকট থেকে জেনে বাবা মাসহ শামীম তার স্বপ্ন পূরণ করার জন্য আমার নিকট আসে। শামীমের মত এমন অনেক দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীর সরকারি মেডিকেল কলেজ,পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার জন্য যাবতীয় খরচ বহন করছে উপজেলা প্রশাসন। আর প্রশাসনকে মানবিক সহায়তা বক্সে দান করে সহযোগিতা করছে উপজেলার নানা শ্রেণী পেশার সচেতন মানুষ।