সাম্প্রতিক
২৫ বছর আগে ১ অক্টোবরের নির্বাচনে যেভাবে বড় জয় পেয়েছিল বিএনপি অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো ‘অভিযান’ চালানোর পরিকল্পনা নেই সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির এমপি মিষ্টির পদত্যাগপত্র গৃহীত, সংরক্ষিত নারী আসন-২৩ শূন্য ঘোষণা ক্যালিফোর্নিয়ায় বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধ, যুক্তরাষ্ট্রের ৩২ অঙ্গরাজ্যে কেন নয়? চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ১৫ বছর চালাবে বিদেশি অপারেটর, চুক্তি অনুমোদন অক্টোবরে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার শঙ্কা ৪৬ হাজার কোটি টাকায় মেট্রোরেলের ভূগর্ভস্থ-উড়ালপথ নির্মাণের অনুমোদন ৪৫৯২ জনবল নিয়ে সাইবার পুলিশ ইউনিটের যাত্রা শুরু, থাকবেন ডার্ক ওয়েব ও ক্রিপ্টো অ্যানালিস্ট অবরোধে অস্থির ফ্রান্স: শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে, বন্ধ ১৬০টির বেশি স্কুল একটি দলের ‘অপশক্তি’ অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

সরকারবিরোধী বিক্ষোভ: ইরানে আরেক জনের মৃত্যুদন্ড কার্যকর

অনলাইন ডেস্ক :

ইরানে চার দিনের ব্যবধানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে জড়িত দ্বিতীয় আরেকজনের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়েছে। দেশটির বিচার বিভাগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বার্তা সংস্থা মিজান জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনীর দুই সদস্যকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত এক ব্যক্তিকে সোমবার (১২ ডিসেম্বর) প্রকাশ্যে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ডকার্যকর করা হয়েছে। মিজান বলেছে, “সকালে মাশাদ শহরে মাজিদ রেজা রেহনাভার্দকে জনসম্মুখে ফাঁসি দেওয়া হয়। নিরাপত্তা বাহিনীর দুই সদস্যকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর ‘খোদার বিরুদ্ধে লড়াই করার দায়ে’ তাকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়েছিল।” এর আগে ইরান বৃহস্পতিবার মোহসেন শেকারি নামে আরেকজনের মৃত্যুদন্ড কার্যক করেছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি দাঙ্গাকারী হিসেবে সেপ্টেম্বরে তেহরানের একটি প্রধান সড়ক অবরোধ করে বড় ছোরা দিয়ে আধাসামরিক বাহিনীর এক সদস্যকে আঘাত করেছিলেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, শেকারিকে নির্যাতন করে স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়েছে বলে দাবি অধিকার আন্দোলনকারী গোষ্ঠীগুলোর। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গোষ্ঠী অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, ইরানের কর্তৃপক্ষ অন্তত ২১ জনের মৃত্যুদন্ড চেয়েছে। ‘গণআন্দোলনকে দমাতে এবং মানুষকে ভীত করতেই’ এসব মৃত্যুদন্ড দেওয়া হচ্ছে বলে ভাষ্য অ্যামনেস্টির। ইরানের বিচারবিভাগের তথ্য অনুযায়ী দেশটির বিপ্লবী আদালতগুলো এখন পর্যন্ত সরকারবিরোধী বিক্ষোভে জড়িত আরও ৯ জনকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে। অভিযুক্তদের পরিচয় জানায়নি তারা। দেশটিতে নারীদের জন্য থাকা কঠোর পোশাকবিধি ঠিকঠাক না মানার অভিযোগে আটক ২২ বছর বয়সী মাশা আমিনি নীতি পুলিশের হেফাজতে মারা গেলে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে ইরানজুড়ে মোল্লাতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রবল বিক্ষোভ শুরু হয়। নারীদের নেতৃত্বাধীন এসব বিক্ষোভ ইরানের ৩১টি প্রদেশের ১৬০টি শহরে ছড়িয়ে পড়ে, যা ১৯৭৯ সালে ইসলামি প্রজাতন্ত্রে পরিণত হওয়া দেশটির শাসকদের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়। ইরানের নেতারা সরকারবিরোধী এ বিক্ষোভকে ‘দাঙ্গা’ অ্যাখ্যা দিয়ে এর জন্য ‘বিদেশি শত্রুদের’ দায় দিয়েছেন এবং নিরাপত্তা বাহিনীকে বিক্ষোভকারীদের ‘কঠোর হস্তে দমনে’ নির্দেশ দিয়েছেন। হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্ট নিউজ এজেন্সির (এইচআরএএনএ) তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত ইরানে অন্তত ৪৭৫ জন বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়েছে, আটক হয়েছেন ১৮ হাজার ২৪০ জন। বিক্ষোভ সহিংসতায় নিরাপত্তা বাহিনীর ৬১ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা।