সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

ইসরায়েলে আবারও প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন নেতানিয়াহু

অনলাইন ডেস্ক :

ইসরায়েলের ৭৪ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে কট্টর দক্ষিণপন্থী সরকার গঠিত হতে চলেছে। এই জোট সরকারের নেতৃত্ব দেবেন নেতানিয়াহু। তার দলই পার্লামেন্টে সবচেয়ে বড় দল। এর আগে ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৯ এবং ২০০৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ইসরায়েলে প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। সরকার গঠনের জন্য নেতানিয়াহুকে হাত মেলাতে হয়েছে অতি দক্ষিণপন্থী রিলিজিয়াস জাইওনিজম পার্টির প্রধান ইতামার বেন গভিরের সঙ্গে। গভিরকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ছেড়ে দিতে হয়েছে তাকে। এ ছাড়াও নেতানিয়াহুর জোটে আরো দুই শরিক রয়েছে, তারাও কট্টর ডানপন্থী। ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট নেতানিয়াহুকে একটা সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন। তার মধ্যে নেতানিয়াহুকে জানাতে হতো, তিনি সরকার গঠন করছেন এবং কাদের সঙ্গে জোটে যাচ্ছেন। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার আধাঘণ্টা আগে নেতানিয়াহুর দল লিকুদ পার্টির পক্ষ থেকে জানানো হয়, নেতানিয়াহু সরকার গঠনের জন্য আলোচনা শেষ করেছেন। তিনিই আবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন। দীর্ঘ আলোচনার পর কয়েক সপ্তাহ ধরে নেতানিয়াহু অতি দক্ষিণপন্থী দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেছেন। শেষ পর্যন্ত তিনি সময়সীমার মধ্যে আলোচনা শেষ করতে পেরেছেন। তবে ইসরায়েলের সবচেয়ে বেশি দিন ধরে প্রধানমন্ত্রী থাকা নেতানিয়াহুর সামনের পথ যথেষ্ট কঠিন বলে মনে করা হচ্ছে। নেতানিয়াহুর জোট সঙ্গীরা কিছু ক্ষেত্রে কড়া নীতি নিয়ে চলার পক্ষে। সেই নীতি নিলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েলের বিরোধ দেখা দিতে পারে। সেই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে উত্তেজনাও বাড়বে। আলোচনার সময় জোট সঙ্গীরা দুটি বিষয়ের ওপর খুবই জোর দিয়েছিল। পুলিশের ওপর নিয়ন্ত্রণ যাতে তাদের হাতে থাকে এবং পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের কর্তৃত্ব বাড়ানো। সূত্র : ডয়চে ভেলে