সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

আবুধাবির টি-টেন লিগে ফিক্সিং, তদন্তে আইসিসি

অনলাইন ডেস্ক :

বেশ হইচই ফেলে আবুধাবিতে চালু হয়েছিল টি-টেন লিগ। ১০ ওভারের এই টুর্নামেন্টে খেলেছিলেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রিকেটাররা। এবার সেই লিগের বিরুদ্ধে উঠল ফিক্সিংয়ের অভিযোগ! ইংল্যান্ডের সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ডেইলি মেইল’ জানিয়েছে, টি-টেন লিগে আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী শাখা এক ডজনেরও বেশি দুর্নীতিমূলক কার্যকলাপের অভিযোগ পেয়েছে। ওই সংবাদমাধ্যমের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুয়া নিয়ে প্রায় ১৮০ কোটি টাকার মতো লেনদেন হয়েছে। টি-টেন লিগের সব ফ্র্যাঞ্চাইজির স্পনসর কোনো না কোনো জুয়া সংস্থা। ম্যাচগুলিতে খুব বেশি দর্শক দেখা যায়নি। কিন্তু বড় অংকের জুয়া খেলা হতো। প্রতি ম্যাচে প্রায় ১০ কোটি টাকার জুয়া খেলা হয়েছে বলে অভিযোগ। আইসিসির মতে, এ ধরনের ছোট টুর্নামেন্ট ঘিরে এই পরিমাণ জুয়া খেলা বড় ব্যাপার! তারা ইতোমধ্যেই এই টুর্নামেন্ট নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। জানা গেছে, মাঠের পরিস্থিতি বা পিচের কথা না ভেবেই ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকরা দলের ব্যাটিং এবং বোলিং অর্ডার ঠিক করতেন। হঠাৎ করে ভালো ক্রিকেটারদের বসিয়ে দেওয়া হতো। ক্রিকেটাররা এমন শট খেলে আউট হতেন যা অকল্পনীয়। চেন্নাই ব্রেভসের মালিক ড্যারেন হার্ফ্টের ছেলে একটি ম্যাচে ওপেন করেন ইংল্যান্ডের ব্যাটার ড্যান লরেন্সের সঙ্গে। কিন্তু আগে তিনি কখনও একটি প্রথম শ্রেণির ম্যাচও খেলেননি! দলে যোগ দেওয়ার আগের দিনই একটি দলের মালিক ইংল্যান্ডের জাতীয় দলের ক্রিকেটারের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করতে চেয়েছিলেন। তার কারণ জানা যায়নি। ভারতের এক ক্রিকেটার তার বেতন পেয়েছেন লিগের আয়োজকদের থেকে, দলের মালিকের থেকে নয়। ওই সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিনিধি জানিয়েছেন, প্রতি ম্যাচে একই মুখকে দেখা যেত দর্শকাসনে বসে মোবাইল ফোনে ব্যস্ত থাকতে। হোটেলেও তার অবাধ আনাগোনা ছিল।