সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

২০ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের জেল থেকে মুক্ত অ্যানা মন্টেস

অনলাইন ডেস্ক :

স্নায়ুযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের হাতে ধরা পড়া সবচেয়ে আলোচিত গুপ্তচর অ্যানা মন্টেস ২০ বছরেরও বেশি সময় পর জেল থেকে মুক্তি পেয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থায় বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করতেন ৬৫ বছর বয়সী মন্টেস। এর আড়ালে প্রায় দুই দশক কিউবার হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করেন তিনি। এই অপরাধে তাকে ২০০১ সালে গ্রেপ্তার করা হয়। সে সময় মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছিলেন, কিউবায় যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কার্যক্রমের প্রায় পুরোটাই ফাঁস করে দিয়েছিলেন মন্টেস। একজন কর্মকর্তা বলেন, মন্টেস ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে ধরা পড়া ‘সবচেয়ে ক্ষতিকারক গুপ্তচরদের’ একজন।
গ্রেপ্তারের পর অ্যানা মন্টেসের বিরুদ্ধে চার মার্কিন গুপ্তচরের পরিচয় ফাঁস করাসহ গোপনীয় তথ্যের বিশাল ভা-ার সরবরাহের অভিযোগ আনা হয়। ‘গোটা দেশকে ঝুঁকিতে ফেলা’র অভিযোগে তাকে ২৫ বছরের কারাদ- দেওয়া হয়েছিল।বিবিসি জানায়, স্নায়ুযুদ্ধের সময়ে ধরা পড়া অন্যান্য ধুরন্ধর গুপ্তচরদের মতো ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়, বরং মতাদর্শগত কারণেই কিউবার পক্ষে কাজ করেছিলেন মন্টেস।
লাতিন আমেরিকায় তৎকালীন রিগ্যান প্রশাসনের কার্যকলাপের বিরোধী ছিলেন তিনি। সেকারণেই কিউবার গোয়েন্দাদের পক্ষ হয়ে কাজ করতে তিনি রাজি হয়েছিলেন। ১৯৮৫ সালে মন্টেস মার্কিন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থায় যোগ দেন; এর কিছু সময়ের মধ্যেই সংস্থাটির শীর্ষ কিউবা বিষয়ক বিশ্লেষক হয়ে উঠেছিলেন তিনি। ২৫ বছরের জেল হলেও ২০ বছরের কিছু সময় পরই গত শুক্রবার টেক্সাসের একটি ফেডারেল কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পেয়েছেন। তবে এই মুক্তির পরও আগামী পাঁচ বছর মন্টেসের ইন্টারনেট ব্যবহার ও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। এর পাশাপাশি সরকারি যে কোনো সংস্থায় তার যোগদানের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।