Skip to content

Upcoming
Qatar
0-0
Switzerland
Source: ESPN

শ্রীবরদীতে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়া দৌড় অনুষ্ঠিত

জেলা প্রতিনিধি, শেরপুর (শ্রীবরদী):

শেরপুরের শ্রীবরদীতে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার পৌর শহরের জালকাটা ষাইটকাকড়ায় স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর রাসেল মিয়া ও এলাকার যুবকদের আয়োজনে বিলের মধ্যে এই প্রতিযোতিা অনুষ্ঠিত হয়।ঘোড়া দৌড় দেখতে এসে ছিলেন অর্ধলক্ষধিক নারী-পুরুষ।ব্যাপক আনন্দ উদ্দিপনায় দুপুর থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষজন আসতে থাকে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা মাঠে।এবাবই প্রথম ওই বিলে এই ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়।দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিযোগীতায় অংশ নিতে শতাধিক অশ্বারোহী প্রতিযোগী এসেছিলেন।ঘোড়া দৌড়কে উপলক্ষ্য করে বসেছিল মেলা।ঘোড়া দৌড়,মেলা,মানুষের উপস্থিতি সব মিলেয়ে প্রতিযোগীতা প্রাঙ্গন পরিণত হয় শেষ বিকালের মিলন মেলায়।

ঘোড় দৌড় প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন সাংবাদিকও শিক্ষক মাসুদ হাসান বাদল।এ খেলায় গোলাম মোস্তাফার সভাপতিত্বে প্র‍ধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব খোরশেদ আলম ইয়াকুব।অতিথি হিসেবে শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)বিপ্লব কুমার বিশ্বাস,উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহবায়ক জাহিদুল ইসলাম জুয়েল,উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও শ্রীবরদী পৌরসভার কাউন্সিলরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।

জানা গেছে এই প্রতিযোগীতার দুই পর্ব কদিন আগে শেষ হয়েছে।গতকাল ছিল ওই দুই প্রতিযোগীতার বিজয়ি তিনজন করে নির্বাচিতদের ফাইনাল খেলা।মানুষকে বিনোদন দিতে ফাইনালের সাথে কয়েকটি সাধারন দৌড়ও প্রতিযাগীতায় স্থান পেয়েছে। দৃষ্টি নন্দন ক্ষিপ্ত দাপটে ঘোড়ার দৌড় প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে দেওয়ানগঞ্জ থেকে আসা ঘোড়ার সোয়ার কিশোর রাজু আহমেদ ও দ্বিতীয় নজরুল ইসলাম।প্রথম দাপুটে দৌড় প্রতিযোগীতা করার সময় অন্তত চারজন আহত হয়।মানুষের প্রচন্ড ভীড় ও বিশৃংলার আশংকায় পরের খেলা আরও ক্ষিপ্ত দৌড়টি আয়োজকরা করতে পারেনি। বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার হিসেবে ফ্রীজ, টেলিভিশন, মোবাইল ফোন ও ক্রেষ্ট তুলে দেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। আর এ খেলায় মোট ২১ টি পুরষ্কার ছিলো।

প্রতিযোগীতার আয়োজক কাউন্সিলর রাসেল মিয়া বলেছেন, গ্রামীণ ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে এমন আয়োজন করা হয়েছে।মানুষের বিনোদন গ্রামীণ নাটক,যাত্রাপালা,জারি গান কালের বিবর্তনে উঠে গেছে।মানুষকে সামান্য আনন্দ দিতেই এই আয়োজন।