Skip to content

Upcoming
Netherlands
0-0
Sweden
Source: ESPN

সিটির চাপ সামলাতে পারেনি রিয়াল: কোর্তোয়া

অনলাইন ডেস্ক :

ঘরের মাঠে আক্রমণাত্মক শুরু করতে পারে ম্যানচেস্টার সিটি, অনুমিতই ছিল। প্রথম দিকেই হয়তো তারা গোলও পেয়ে যেতে পারে, এমন ধারণাও কারো কারো ছিল। কিন্তু সেখানেই থেমে থাকেনি পেপ গুয়ার্দিওলার দল। একই ছন্দে খেলে উড়িয়ে দেয় রিয়াল মাদ্রিদকে। ব্যর্থতা মেনে নিয়ে ইউরোপের সফলতম দলটির গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া বললেন, সিটির প্রবল চাপের কোনো জবাবই জানা ছিল না তাদের। চলতি মৌসুমে পারফরম্যান্সের বিচারে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি-ফাইনালের আগে শক্তিমত্তায় কিছুটা হলেও এগিয়ে রাখা হচ্ছিল সিটিকে। দুর্দান্ত ফুটবল খেলে প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা ধরে রাখার দুয়ারে চলে গেছে তারা। এফএ কাপে খেলবে ফাইনালে।

অন্যদিকে লা লিগায় দুইয়ে থাকা নিয়ে টানাটানির মধ্যে রিয়াল হেরে যায় স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে। জিতেছে কেবল কোপা দেল রের শিরোপা। সিটি ও রিয়ালের শেষ চারের লড়াইয়ের প্রথম লেগে অবশ্য সেভাবে প্রাধান্য দেখাতে পারেনি ম্যানচেস্টারের দলটি। ম্যাচ শেষ হয় ১-১ সমতায়। দ্বিতীয় লেগে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। ইতিহাদ স্টেডিয়ামে বুধবারের ম্যাচে শিরোপাধারী রিয়ালকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দেয় সিটি। প্রথমার্ধে জোড়া গোল করেন বের্নার্দো সিলভা। বিরতির পর আত্মঘাতী গোল করেন এদের মিলতাও, এরপর শেষের দিকে ব্যবধান বড় করেন হুলিয়ান আলভারেস। দুই লেগ মিলিয়ে ৫-১ গোলের অগ্রগামিতায় ফাইনালে চলে গেছে তারা। উয়েফার তথ্য অনুযায়ী, ম্যাচের প্রথম ১৫ মিনিটে প্রায় ৮০ শতাংশ বল পায়ে রেখে ১২৪টি পাস দেয় সিটি। আর রিয়ালের পাসের সংখ্যা ছিল মাত্র ১৩টি! প্রথমার্ধে একচেটিয়া আধিপত্য করা সিটি গোলের উদ্দেশ্যে ১৩ শট নিয়ে পাঁচটি রাখে লক্ষ্যে। বিপরীতে রিয়াল শট নিতে পারে স্রেফ একটি।

পুরো ম্যাচে এই চিত্রে খুব একটা বদল আর আসেনি। কিছু বিচ্ছিন্ন মুহূর্ত ছাড়া সিটির গতিময় ফুটবলের সামনে অসহায় ছিল রিয়াল। রক্ষণ, মাঝমাঠ ও আক্রমণ, তিন বিভাগেই ভীষণ মলিন ছিল রিয়ালের পারফরম্যান্স। সেরা দল হিসেবেই যে সিটি জিতেছে, ম্যাচ শেষে তা মেনে নেন কোর্তোয়াও। বেলজিয়ামের এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষকের মতে, তাদের নিজেদের ফুটবল খেলার কোনো সুযোগই দেয়নি ইংলিশ চ্যাম্পিয়নরা। “শুরু থেকেই আমরা বুঝতে পারছিলাম যে তারা চাপ দেবে এবং আমাদের উইং ধরে খেলতে দেবে না। তারা আমাদের বক্সের মধ্যেই আটকে রাখার জন্য অনেক খেলোয়াড়কে ওপরের দিকে ঠেলে দিয়েছে।” “প্রাথমিকভাবে আমরা সেটা ভালোভাবে সামলে নিয়েছি, কিন্তু আমরা নিজেদের মতো খেলতে পারিনি, সুযোগ তৈরি করতে বা তাদের সমস্যায় ফেলতে পারিনি। এটি তাদের আরও সুবিধা করে দিয়েছে। এরপর (প্রথমার্ধের) ২৩তম মিনিটে তারা গোল করে এবং এরপর ম্যাচে ফিরে আসা আমাদের জন্য ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়ে।”