সাম্প্রতিক
নিউ গিনি প্রপার্টিজে হামলা: সাবেক মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন গ্রেপ্তার মিরপুরে হামলা-অগ্নিসংযোগের কাজ ‘ফ্যাসিজমের দোসরদের’: ডিএনসিসি প্রশাসক আপস মীমাংসায় প্রথম স্ত্রীর জামিন, গাজী নজরুলের জামিনেও বাদীর আপত্তি নেই কানাডা থেকে ৮ মাসে ৩৪০ বাংলাদেশি বহিষ্কার, প্রক্রিয়ায় আরও ১,৩৬৮ জাতিসংঘে জাইমার নিয়োগে সরকারের সম্পৃক্ততা নেই: মাহদী আমিন অক্টোবরে অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম রাড্ডা ক্লিনিকে হামলা: এমপি মিষ্টির বিরুদ্ধে অভিযোগ, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় ৬ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না এলপিজিতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করলে ব্যবস্থা, ডিসিদের নির্দেশ গরম বাড়তেই আবারও বেড়েছে লোডশেডিং
Skip to content

সিলেটে নতুন ভবন নির্মাণের আগেই ভাঙা হলো পুরোনো স্কুলভবন, বাড়ির সামনে পাঠদান

জেলা প্রতিনিধি, সিলেট :

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে ইউসুফ আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ শুরু হওয়ার আগেই ভেঙে ফেলা হয়েছে পুরাতন ভবন। স্কুল খোলার ঘোষণায় তাই বিপাকে পড়েন বিদ্যালয়টির সংশ্লিষ্টরা। পরে একটি বাড়ির সামনে ত্রিপল টানিয়ে শুরু করা হয় পাঠদান। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, বিদ্যালয়টির নতুন চারতলা ভবনে সাতটি শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ করা হচ্ছে। এজন্য বিদ্যালয়ের পুরাতন দুটি ভবন ভেঙে ফেলা হয়েছে। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিদ্যালয়ের দাতা পরিবারের সদস্য আরিফুজ্জামান চৌধুরীর বাড়ির সামনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হচ্ছে। করোনার সময় বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় ছাত্রছাত্রীদের তেমন কোনো সমস্যা না হলেও স্কুল খোলার পর বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। বিদ্যালয় খোলার প্রথম দিনে খোলা আকাশের নিচে ত্রিপল টানিয়ে শুরু হয় পাঠদান। জানা যায়, বিদ্যালয়টিতে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য জায়গা নির্ধারণের পর ভেঙে ফেলা হয় পুরাতন দুটি ভবন। কয়েক মাস আগে থেকেই বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করার কথা ছিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো কাজই শুরু হয়নি। বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষক সাইফুল আলম রাজ্জাক বলেন, দীর্ঘদিন পর স্কুল খুলেছে, শিক্ষার্থীরা আনন্দিত। কিন্তু পুরাতন ভবন ভেঙে ফেলায় আর এখন স্কুল খুলে যাওয়ায় বিদ্যালয়ের দাতা সদস্যের বাড়ির সামনে পাঠদান চলছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিক উদ্দিন জানান, জরুরিভিত্তিতে ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করতে ঠিকাদারের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হবে। অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চালানোর জন্য টিনশেডের শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাখী আহমেদ জানান, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পরিবেশ নিশ্চিত করতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। শিশুরা যেন স্বাচ্ছন্দ্যে পাঠ নিতে পারে সে লক্ষ্যে কাজ করছে শিক্ষা বিভাগ।