সাম্প্রতিক
কুমিল্লা সীমান্তে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ফেরত দিল বিএসএফ শীতের আগাম সবজির দাম চড়া, মাছ-মাংসেও মিলছে না স্বস্তি বাংলাদেশের মতো ভারতেও সরকার বদলের চেষ্টা চলছে: রাজনাথ সিং ড. ইউনূসকে অ্যাওয়ার্ড দিলেন হিলারি ক্লিনটন, দাঁড়িয়ে সম্মান জানালেন ৪০০ অতিথি হাসিনাকে ফেরাতে দিল্লিকে চাপ দেবে ঢাকা, কনস্যুলার সংলাপে থাকেছ যেসব বিষয় সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল উপজীব্য: প্রধানমন্ত্রী চুয়েটের সদস্যদের ছাড়াই উপাচার্যের অনলাইনে সিন্ডিকেট সভা কোনো সম্প্রদায়কে ভোটব্যাংক হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এনবিআরের দুই কর্মীর কাছে আসে প্রশ্নপত্র, পরে উত্তর তৈরি করে ছড়ায় চক্র: এসআরবি দেশের প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি
Skip to content

ডামুড্যা কোন রাতে থেমে নেই চুরি

ডামুড্যা (শরীয়তপুর) প্রতিনিধিঃ মোঃ নুরুল ইসলাম খোকন। ডামুড্যা উপজেলার পৌর শহর ও গ্রামগঞ্জে প্রতিদিনই হচ্ছে চুরি। থেমে নেই কোন রাত্রি। চোরের ভয়ে আতঙ্কে আছে এলাকাবাসী। ১৩ ফেব্রæয়ারী বৃহস্পতিবার ডামুড্যা পৌরসভা কাজী মোঃ হাফিজুর রহমানের অফিসের দরজা ভেঙ্গে ষ্টীলের আলমারি খুলে নগদ ৯২৫০০ টাকা, সৌর বিদ্যুতের ১২ ভোল্টের ব্যাটারী সহ, টেবিলে সাজানো বিদেশী মুদ্রা সহ মুল্যবান জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে যায়। তিনি বলেন প্রতিদিনের মত অফিসের তালা বন্ধ করে বাসায় চলে যাই। আজ ভোরবেলা মহিলারা পানি নিয়ে যাওয়ার পথে দেখেন অফিসের পিছনের দরজা খোলা দেখে আমাকে ফোন দেন। আমি ঘটনাস্থলে এসে দেখি পিছনের দরজা খোলা, ষ্টীরের আলমারী খোলা সবকিছু এলোমেলো হয়ে আছে। নগদ টাকা, বৈদেশিক মুদ্রা ও সোলারের ব্যাটারী নিয়ে গেছে। আমি ডামুড্যা উপজেলা কাজী সমিতির কোষাধ্যক্ষ। প্রতিমাসে সমিতির টাকা উত্তোলন করে আমাকে ব্্যাংকে জমা দিতে হয়। গত মাসের টাকা আজ ব্যাংকে জমা দিবো বলে ষ্টিলের আলমারীর ড্রয়ারে রেখেছিলাম।

গতকাল ১২ ফেব্রুয়ারী ডামুড্যা পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডে আউয়াল রাড়ীর বিল্ডিং এর তৃতীয় তলায় প্রবাসী ফারুক আলম মাদবরের দরজা ভেঙ্গে ডায়মন্ড লকেট, স্বর্ণের চেইন ও আংটি, ঝুমকা, নাকফুল সহ ৪ লক্ষ টাকা ও নগদ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। গত সপ্তাহে ডামুড্য উত্তর বাজারে একটি ফিডের দোকান ও দুইটি মুদি দোকানে চুরি হয়। এ ব্যাপারে ডামুড্যা থানায় ভূক্তভূগিরা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।  ডামুড্যা থানা অফিস হাফিজুর রহমান মানিক বলেন আমি এ ব্যাপারে বাজারের কমিটি নিয়ে কয়েক দফা মিটিং করি। বাজারে মনিটরিং এর জন্য বিভিন্ন পয়েন্টে সিসি ক্যামেরা বসানোর কথা বলেছিলাম। বাজারের কমিটির কোন সদস্য এই ব্যাপারে কোন গুরুত্ব দেয় নাই। চোরের সংখ্যা দিন নিদ বেড়েই চলছে এবং প্রতিদিনই চোর ধরা হচ্ছে।