



অভিযানকালে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যে সকল অনিয়ম ধরা পড়ে এবং জরিমানা প্রদান করা হয়: শাহজালাল প্রাইভেট হাসপাতাল ডায়াগনস্টিক এন্ড কন্সাল্টেশন সেন্টারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজারকে ১৫,০০০ (পনেরো হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়। গ্রীন লাইফ প্রোমিস হাসপাতালের প্রয়োজনীয় লাইসেন্স না থাকা এবং ওয়েটিং রুমের অস্বস্তিকর পরিবেশের কারণে ম্যানেজারকে ২০,০০০ (বিশ হাজার) টাকা জরিমানা প্রদান করতে বাধ্য করা হয়। সিটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিবেশ অপরিচ্ছন্ন ও নোংরা থাকার কারণে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজারকে ৩০,০০০ (তিরিশ হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়।
হেলথ এইড হাসপাতালের ফার্মেসি জেরিন ড্রাগ হাউজে ডেট ওভার (মেয়াদ উত্তীর্ণ) ওষুধ পাওয়ায় ড্রাগ হাউসের ম্যানেজারকে ৮,০০০ (আট হাজার) টাকা জরিমানা গুনতে হয়। লাইফ লাইন হাসপাতালের ফার্মেসি লাইফ লাইন মেডিসিন কর্নারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির অপরাধে ম্যানেজারকে ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়। সর্বমোট এই অভিযানে ৮৩,০০০ (তিরাশি হাজার) টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শারমিন সুলতানা জানান, জনস্বাস্থ্যের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠানগুলোর এ ধরনের অবহেলা ও অনিয়ম মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কোনো প্রকার অনিয়মের ক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন