সাম্প্রতিক
ইসলামী ন্যাটোর সামরিক শক্তি কতটা, পাকিস্তান-তুরস্ক-সৌদির হাতে কী কী অস্ত্র বিয়ের গুঞ্জনে ক্ষুব্ধ পূজা চেরি, আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি রোহিঙ্গারা ‘বাঙালি’, মিয়ানমারের বক্তব্যে বাংলাদেশের উদ্বেগ এআই ক্যামেরা চালুর পরই অ্যাকশন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৩ ঘণ্টায় ৩৭৯ মামলা শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নে স্বতন্ত্র পে-স্কেল ভাবছে সরকার রাজধানীতে চালুর প্রথম দিনেই দুর্ঘটনায় ‘পিংক বাস’ ৩ মিনিটের যে ব্যায়াম ৯০ মিনিটের ওয়ার্কআউটের চেয়ে বেশি উপকারী অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমাবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী বাজারে আসছে তুরস্কের তৈরি প্রথম স্মার্টফোন, থাকছে স্যাটেলাইট অ্যান্টেনা
Skip to content

লক্ষ্মীপুর সড়কে খানাখন্দ ভরাট সংস্কার চলমান: স্বস্তিতে সাধারণ মানুষ

লক্ষ্মীপুর সড়কে চলছে খানাখন্দ ভরা সংস্কার কাজ। অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে ঢাকা-লক্ষ্মীপুর সড়কের লক্ষ্মীপুর-চন্দ্রগঞ্জ সড়কের সংস্কার কাজ। প্রায় ১৯’কিলোমিটার দীর্ঘ খানাখন্দভরা সড়কে বর্তমানে মেরামত বা রিপেয়ারিংয় কাজ চলমান রয়েছে। ২০২৪ সালে ভারত থেকে আশা পানি এবং অতিবৃষ্টির কারনে ঢাকা-লক্ষ্মীপুর/চট্রগ্রাম-লক্ষ্মীপুর এই মহাসড়কটি ডুবে যায় ফলে প্রতিদিনই যানবাহনের চাপে সড়কটির বেহাল দশা দেখা দিয়েছিলো। জনসাধারণের চলাচলে সড়কটি ছিলো আতঙ্কের। এখন দৃশ্যপট একটু ভিন্ন। সড়কের সংস্কার কাজ দৃশ্যমান হওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ও সন্তুষ্টি বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বলছেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে কষ্ট করেছি। এখন কাজ চলমান থাকায় সত্যিই স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে। আমাদের প্রতিনিয়ত এই সড়কে চলাচল করতেহয়। সড়ক বিভাগ যেনো অতিদ্রুত কাজটি সমাপ্ত করেন।”

লক্ষ্মীপুর সড়ক বিভাগ ইতোমধ্যেই ভাঙাচোরা অংশ কেটে ফেলা, নতুন বিটুমিন কার্পেট বসানো এবং ড্রেনেজের পানিনিষ্কাশন নিশ্চিত করার কাজে চলমান রেখেছে। মেরামত কার্যক্রমে শ্রমিকরা সকাল-সন্ধ্যা পর্যন্ত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। লক্ষ্মীপুর সড়ক উপ-বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ  মোশারফ হোসেন বলেন,”বর্ষার অতিবৃষ্টির কারণে সড়কটির অনেক অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলো। জনগণের দুর্ভোগ লাঘব করতে আমরা দ্রুত রিপেয়ারিংয়ের কাজ চলমান রেখেছি। আশা করছি কয়েক দিনের মধ্যে কাজ শেষ হবার পর জনগণ নিরাপদে ও স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করতে পারবে”।

লক্ষ্মীপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলাম বলেন, লক্ষ্মীপুর-চন্দ্রগঞ্জ সড়কটি ইতিমধ্যে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। পারচেজ কমিটিতে সিএস অনুমোদন হবে। আশা করা যায় আগামী পার্সেস কমিটিতে এই রাস্তার অনুমোদন হতে পারে এবং কার্যাদেশ জানুয়ারি মাসের মধ্যে দেওয়া যেতে পারে। ফেব্রুয়ারির মধ্যে বড় ধরনের কাজ শুরু হতে পারে। যতদিন কাজ শুরু না হচ্ছে ততদিন বিভাগীয়ভাবে মেরামত করে যান চলাচল সচল রাখা হবেে।