সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

গণহত্যা দিবসে বধ্যভুমিতে কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের শ্রদ্ধা নিবেদন

 

কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি:

দেশের স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় গাজীপুরের কালীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী ন্যাশনাল জুট মিলের ভিতরে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মুক্তিযোদ্ধাসহ ১০৬ জনকে দাঁড় করিয়ে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ব্রাশ ফায়ারে শহীদ করে। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও কালীগঞ্জে শহীদের স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

বুধবার (২৫ মার্চ) দুপুরে শহীদের গণকবরে উপজেলা প্রশাসন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটিএম কামরুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকিয়া সরওয়ার লিমা, উপজেলা প্রকৌশলী মো. রেজাউল হক, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নুর-ই-জান্নাত, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আফরোজা বেগম, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর প্রধানগণ, ইউপি চেয়ারম্যান ও সাংবাদিকবৃন্দসহ প্রমুখ। পরে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া প্রার্থনা করা হয়।

উপজেলার খলাপাড়া এলাকার স্থানীয়রা জানায়, ১৯৭১ সালে ডিসেম্বরের ১ তারিখে উপজেলার খলাপাড়াস্থিত ন্যাশনাল জুট মিলের ভিতরে মুক্তিযোদ্ধারা অবস্থান করছিল। সকালবেলা পাক হানাদার বাহিনী শীতলক্ষা নদী পাড় হয়ে মিলের ভিতর প্রবেশ করে। হানাদার বাহিনী সন্ধ্যা পর্যন্ত ন্যাশনাল জুট মিলে ভিতরে নির্মম গণহত্যা চালায়। ৩/৪ দিন পর্যন্ত মৃতদেহ মিলের ভিতরের বাগানে পড়ে থাকতে দেখা যায়। হানাদার বাহিনীর ভয়ে কেউ মৃতদেহ উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেনি। দেশ স্বাধীন হলে এলাকাবাসী মিলের ভিতরে ১০৬ জনের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে। পরে মৃতদেহগুলি ন্যাশনাল জুট মিলের দক্ষিণ পাশে গণকবরে সমাহিত করা হয়।

পরবর্তীতে মিল কর্তৃপক্ষ গণহত্যার শিকার শহীদদের স্মৃতি রক্ষার্থে ‘শহীদের স্মরণে ১৯৭১’ নামক একটি শহীদ মিনার নির্মাণ করে এবং শহীদের গণকবরের পাশে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে।