সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

নিউইয়র্কে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল মুরাদনগরের বাবা-ছেলের

মুরাদনগর(কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ

স্বপ্ন ছিল প্রবাসের মাটিতে নিজেদের একটু ভালো করে গুছিয়ে নেওয়ার। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। নিউ ইয়র্কের ব্যস্ত সড়কে এক নিমেষেই সব তছনছ হয়ে গেল। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় আলবেনির ক্লেভেরা এলাকায় এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন কুমিল্লার মুরাদনগরের একই পরিবারের বাবা-ছেলেসহ চারজন।

কলম্বিয়া কাউন্টি শেরিফ অফিস সূত্রে জানা গেছে, স্টেট রুট নাইন-এইচ এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারানো একটি টয়োটা প্রিয়াস বিপরীত দিক থেকে আসা টয়োটা ক্রাউনকে সরাসরি আঘাত করলে এই বিভীষিকা তৈরি হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন, কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাংগরা বাজার থানাধীন পীর কাশিমপুর গ্রামের মোহাম্মদ হেরামন (৬০) ও তার ছেলে মোহাম্মদ নাজমুল রুবেল (২৯)।

এই দুর্ঘটনায় অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলেও আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে লড়ছেন হেরামনের মেয়ে ফাতিমা আক্তার এবং তার মাত্র এক বছর বয়সী শিশু সন্তান। বাফেলোতে ব্যবসার কাজে যাওয়ার পথে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ট্র্যাজেডি তাদের পরিবারকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

নিহতরা সবাই নিউ ইয়র্কের ব্রঙ্কস এলাকায় বসবাস করতেন। স্থানীয় বায়তুল আমান ইসলামিক সেন্টারের পরিচিত মুখ ছিলেন তারা। বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব শেখ আবুল হোসাইন বলেন,

ওরা আমার বাসাতেই থাকতো। এমন প্রাণোচ্ছল মানুষগুলো এভাবে চলে যাবে, ভাবতেই পারছি না। পুরো ব্রঙ্কস আজ শোকাতুর।

এদিকে মৃত্যুর সংবাদ পীর কাশিমপুর গ্রামে পৌঁছালে সেখানে হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে গ্রামের আকাশ-বাতাস। এক মুহূর্তের ব্যবধানে বাবা ও ভাইকে হারিয়ে নির্বাক স্বজনরা।

বুধবার স্থানীয় বায়তুল আমান ইসলামিক সেন্টারে তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনে এই দুর্ঘটনা যেন মনে করিয়ে দিল—জীবন কতটাই না অনিশ্চিত।