সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

তিস্তার ভাঙন রোধে পলাশপুর রক্ষার দাবি, মানববন্ধন ও সমাবেশ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

তিস্তা নদীর ভাঙনে বসতভিটা ও আবাদি জমি হারানো ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ এবং কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার নাজিমখান ইউনিয়নের পলাশপুর গ্রাম রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন এলাকাবাসীরা।

শনিবার দুপুরে জেলা উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের উদ্যোগে তিস্তা নদীর তীরবর্তী পলাশপুর এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভাঙনকবলিত মানুষসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন অংশ নেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ও জেলা বিএনপির সিনিয়র আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু। বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক  সাইয়েদ আহমেদ বাবু, সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ শাহ আলম, নাজিমখান ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক বাদশা বক্সী, সদস্য সচিব আতিকুর রহমান আতিক, এডভোকেট মোশাররফ হোসেন, ইউপি সদস্য নজরুল ইসলামসহ ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মোকসেদ আলী ও মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।

অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু বলেন, ২০১৬ সাল থেকে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কথা শোনা গেলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। তিনি বলেন, তিস্তা নদী ভারতের সিকিম থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পর নীলফামারী, রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার ওপর দিয়ে প্রায় ১১৫ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়ে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নে ব্রহ্মপুত্র নদের সঙ্গে মিলিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তিস্তার দুই তীরের বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় দুই লাখ মানুষ বসবাস করে, যারা প্রতি বছর ভাঙনের শিকার হচ্ছেন। এতে হাজার হাজার মানুষ বসতভিটা ও জীবিকা হারাচ্ছেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, পলাশপুর গ্রামকে রক্ষায় দ্রুত কার্যকর নদীশাসন প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের বসতভিটা ও জমির ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগী এলাকাবাসী দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।