



লিভার–সংক্রান্ত জটিলতায় মারা গেছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনয়শিল্পী কারিনা কায়সার (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে নেওয়ার পর শনিবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার বাবা, জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ।
তিনি জানান, শুক্রবার দিবাগত রাতে ফুসফুসে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার সময় হঠাৎ কারিনার রক্তচাপ মারাত্মকভাবে কমে যায়। চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচাতে পারেননি।
মাত্র ৩০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করা কারিনা কায়সার মা–বাবা ও দুই ভাই রেখে গেছেন। তিনি বরেণ্য দাবাড়ু রানী হামিদের নাতনি।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, জ্বর দিয়ে শুরু হলেও পরে তার শরীরে গুরুতর সংক্রমণ ধরা পড়ে। একই সঙ্গে হেপাটাইটিস এ ও ই-জনিত জটিলতায় তার লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে আইসিইউতে নেওয়া হয় এবং পরে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।
পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ভারতের চেন্নাইয়ে নেওয়া হয় তাকে। সেখানে ভেলোরের খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসকেরা প্রথমে তার ফুসফুসের চিকিৎসা শুরু করেন এবং পরবর্তীতে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতিও চলছিল।
কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে জনপ্রিয়তা পাওয়া কারিনা কায়সার সাম্প্রতিক সময়ে অভিনয় ও চিত্রনাট্য লেখার কাজে যুক্ত ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার প্রাণবন্ত উপস্থাপনা ও জীবনঘনিষ্ঠ কনটেন্ট তরুণদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।
তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘ইন্টার্নশিপ’ ও ‘৩৬-২৪-৩৬’। অভিনয়ের পাশাপাশি চিত্রনাট্যকার হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।
তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহকর্মী, নির্মাতা ও ভক্তদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এনএনবাংলা/
Tags: Karina Kaiserকায়সার হামিদকারিনা কায়সারবাংলাদেশি কনটেন্ট ক্রিয়েটরলিভার ফেইলিউর
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন