সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

লালপুরে ১৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না

ছবি: সংগৃহীত

নাটোরের লালপুর উপজেলা এবং পার্শ্ববর্তী বাগাতিপাড়া উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে বিদ্যুতের ঘাটতি প্রকট আকার ধারণ করেছে। বিদ্যুৎ থাকছে না ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৮ ঘণ্টা।

চাহিদার তুলনায় অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ার কারণে দিন ও রাত উভয় সময়েই দেখা দিয়েছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং। টানা কয়েক দিন ধরে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ লালপুর উপজেলা এবং পার্শ্ববর্তী বাগাতিপাড়া উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের মানুষ। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বিদ্যুতের আসা-যাওয়ার এই খেলায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন।

স্থানীরা জানান এই তীব্র লোডশেডিংয়ে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিঘ্নিত হচ্ছে। বয়স্ক ও শিশুরা সবচেয়ে বেশি কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। এছাড়াও ব্যাহত হচ্ছে স্থানীয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, ক্ষুদ্র শিল্প ও বেকারিগুলোর উৎপাদন ও ব্যবসা। পাশাপাশি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে সেচ ব্যবস্থা চিকিৎসাসেবা এবং শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন লেখাপড়া।

এবিষয়ে লালপুর জোনাল অফিসের ডিজিএম রেজাউল করিম জানান, ঈশ্বরদী গ্রিড উপকেন্দ্র হতে সাময়িক সময়ের জন্য চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম পাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে লোডশেডিং চলছে। অতিরিক্ত ৩ মেগাওয়াট সরবরাহ নিশ্চিত করার পরও ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ বরাদ্দ বাড়লে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর লালপুর জোনাল অফিস থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে লালপুর উপজেলা ও বাগাতিপাড়ার তিন ইউনিয়নে সোমবার (৩ আগস্ট) পিক আওয়ারে সর্বোচ্চ চাহিদা ২৩ মেগাওয়াট, তার বিপরীতে ​বিদ্যুৎ মিলছে ১০ মেগাওয়াট এবং লোডশেডিং ১৩ মেগাওয়াট; যা মোট চাহিদার প্রায় ৫৬.৫% ঘাটতি।

এনএনবাংলা/এফএস