সাম্প্রতিক
সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ বছর ১০ মাসে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে ৩০০ পরিবার প্রথম ধাপে ১,০৫০ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সরকারের পাশাপাশি আরাকান আর্মির সঙ্গেও আলোচনা চলছে: শামা ওবায়েদ বাংলাদেশি নাগরিকদের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ ৬৪৬ ডলার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ স্থানে একই সময়ে হাতবোমা বিস্ফোরণ, আটক ১ গুলশান-১ গোলচত্বরে তিন বিঘা জমিতে ৪০ তলা ভবনের ছক এঁকেছে শান্তা হোল্ডিংস বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় চাকরি, লটারিতে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ৩০০ জন ভাটারায় স্কুল বাসে আগুন, মালিবাগ সিআইডি কার্যালয়ের পার্কিংয়ে ককটেল বিস্ফোরণ রমজানের আগে ১০ পণ্যের এলসি খোলার শর্ত শিথিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক এইচএসসি খাতা পুনঃনিরীক্ষণে ২ লাখ ৯১ হাজার আবেদন, ‘সবচেয়ে বেশি ইংরেজিতে’
Skip to content

টিভি প্রযোজকদের নির্বাচন থেকে তিন কমিশনারের পদত্যাগ

অনলাইন ডেস্ক :

টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রডিউসারস এসোসিশেন অব বাংলাদেশ-এর নির্বাচন কমিশনার মাসুম আজিজ, নরেশ ভূঁইয়া ও বৃন্দাবন দাস একযোগে পদত্যাগ করেছেন। তিনজনের স্বাক্ষরসহ একটি লিখিত কপির অনুলিপি সংবাদমাধ্যমের হাতে এসেছে। অনুলিপি সূত্রে জানা গেছে, নিয়ম অনুযায়ী ১১ ডিসেম্বর নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী নির্বাচনী তফসিলও ঘোষণা করা হয়। প্রার্থীতা বাছাইপর্বে ১৭ জন সদস্যের প্রার্থীতা বাতিল হলে শুরু হয় উত্তেজনা। আপিল বিভাগের প্রধান খায়রুল আলম সবুজের নিকট বাদপড়া ১৫ জন প্রার্থী নির্বাচনী প্রার্থীতা ফিরে পেতে আপিলপত্র দাখিল করলে শুনানী শেষে নির্বাচনী প্রক্রিয়া ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিতের সুপারিশ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর নোটিশ পাঠান। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আপিল বিভাগের প্রধান খায়রুল আলম সবুজ কোনো প্রকার আলোচনা না করে এমন একতরফা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় ক্ষুব্ধ হন নির্বাচন কমিশনারগণ। কারণ হিসেবে নির্বাচন কমিশনারগণ বলেন, আপিল বিভাগের প্রধান খায়রুল আলম সবুজের এই কর্মকা- বে-আইনি, এখতিয়ার বহির্ভূত এবং সুষ্ঠু নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অযাচিত হস্তক্ষেপের শামিল। তাই এই অবস্থায় নির্বাচন কমিশনের পক্ষে স্বাধীনভাবে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনা করা সম্ভব নয়। এ ছাড়া বাদপড়া প্রার্থীদের অধিকাংশ সদস্য নির্ধারিত সময়ের পর প্রার্থী ফরম জমা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী সাজ্জাদ হোসেন দোদুল। তিনি বলেন, ‘প্রার্থী ফরম সন্ধ্যা ৮টার মধ্যে জমা দেওয়ার বাধ্যবাধতা থাকলেও প্রার্থীতা বাতিল হওয়া অধিকাংশ সদস্যই নমিনেশন ফরম জমা দেন রাত ১০টা অব্দি পর্যন্ত। এসব সদস্য নমিনেশন ফরম জমা দেওয়ার সময় উচ্ছৃংখল আচরণ করেন এবং নির্বাচন কমিশনকে ভয়ভীতি দেখান। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। কমিশন অফিসের দরজায় বারবার সজোরে লাথি মারে।’ এমন পরিস্থিতিতে আপিল বিভাগের প্রধান খায়রুল আলম সবুজ নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কোনো প্রকার আলোচনা ছাড়াই এফটিপিওসহ অন্যান্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব এবং ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত নির্বাচন স্থগিত করার সুপারিশ করা নির্বাচনী তফসিল বাহর্ভূত, সংবিধান বহির্ভূত হওয়ায় নির্বাচন কমিশনারগণ একযোগে পদত্যাগ করেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।