সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে চুরি, নথিপত্র তছনছ ঘটনা তদন্তে পুলিশের তিন সংস্থা

জেলা প্রতিনিধি, গাইবান্ধা :
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের প্রশাসনিক কার্যালয়ের তিনটি কক্ষে আলমারির তালা ভেঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র তছনছ করেছে দুবৃর্ত্তরা। রোববার গভীর রাতে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় গ্রিলের দরজা ভেঙ্গে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনাটি জেলা শহরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
পুলিশ ও হাসপাতাল সুত্র জানায়, রোববার গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার প্রশাসনিক কার্যালয়ের তিনটি কক্ষের তালা ভেঙে ভিতরে ঢোকে। তারা কক্ষগুলোতে থাকা নয়টি স্টিলের আলমারির তালা ভেঙ্গে গুরুত্বপূর্ন কাগজ ও নথিপত্র তছনছ করে। আজ সোমবার সকালে হাসপাতালের অফিস সহায়ক আবদুল হান্নান কার্যালয় খুলতে গিয়ে আলমারির তালা ভাঙ্গা ও ফাইলপত্র তছনছ দেখতে পান। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি হাসপাতালের তত্ববধায়ককে অবগত করেন। তবে কোন কোন ফাইল ও কাগজপত্র চুরি গেছে কর্তৃপক্ষ তা এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি। এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
জানতে চাইলে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক মো. মাহবুব হোসেন জানান, রোববার তারা দাপ্তরিক কাজ শেষে কক্ষগুলো তালাবদ্ধ করে চলে যান। আজ সকালে তারা ঘটনাটি দেখতে পান। তিনি বলেন, আলমারিগুলোতে হাসপাতালের কোটি কোটি টাকার ঔষধপত্র-এমএস আর, রোগিদের খাদ্য সামগ্রী ক্রয় সংক্রান্ত নথি, ব্যাংকের চেক, ময়না তদন্তের রিপোর্ট, ধর্ষন মামলার রিপোর্ট, বিভিন্ন সনদ, স্টাফদের সার্ভিস বই, হাসপাতালের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন ফাইল ও কাগজপত্র ছিল। তবে কি কি নথিপত্র চুরি হয়েছে তা এই মুহুর্তে তিনি বলতে পারছেন না। আইনশৃংখলা বাহিনীর তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে জানা যাবে।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, হাসপাতালের কোটি কোটি টাকার ঔষধপত্র-এমএস আর, রোগিদের খাদ্য সামগ্রী ক্রয় ও করোনাকালীন ক্রয় সংক্রান্ত দূর্নীতির ঘটনা ভিন্ন খাতে নিয়ে যাওয়ার জন্য এই চুরি সংঘটিত হতে পারে। যার সাথে হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারি ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জড়িত থাকতে পারে। তিনি আরও বলেন, ভালোভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত করা হলে থলের বিড়াল বেড়িয়ে আসবে।
এদিকে ঘটনার পর পুলিশ, সিআইডি ও পিবিআই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সিআইডির ক্রাইমসিন ইউনিটের তদন্তদল কক্ষগুলা তালাবদ্ধ করে রেখেছে। এবিষয়ে আজ সোমবার সন্ধ্যায় গাইবান্ধা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবদুর রউফ বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের লিখিত অভিযোগ এখনো পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।