সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

কেক যখন জীবনবৃত্তান্ত!

ভোজ্য জীবনবৃত্তান্ত! শুনে অবাক লাগছে না? লাগারই কথা। জীবনবৃত্তান্ত, কোথাও আবেদনের প্রথম ধাপ। সে ধাপ খাবারযোগ্য হয় কীভাবে!

মানুষ যে কতো বিচিত্র তা প্রমাণ করতেই যুক্তরাষ্ট্রের এক নারী কেকের ওপর ছেপেছেন নিজের জীবনবৃত্তান্ত।

কিছুদিন আগে চাকরি সম্পর্কিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম লিংকডইনে কার্লি প্যাভলিনাক ব্ল্যাকবার্ন কীভাবে নাইকিতে চাকরির আবেদন করেছিলেন তা জানিয়ে ছবিসহ পোস্ট করেন। উদ্ভট, কিন্তু ব্যতিক্রমী ধারণার সেই জীবনবৃত্তান্ত দেখতে পায় যোগাযোগমাধ্যমটির ব্যবহারকারীসহ সারা বিশ্ব।

ব্ল্যাকবার্ন লিংকডইনে লিখেছেন, ‘কয়েক সপ্তাহ আগে নাইকিতে কেকের ওপর আমার জীবনবৃত্তান্ত পাঠিয়েছিলাম। হ্যাঁ, ভোজ্য জীবনবৃত্তান্ত। নাইকি জেডিআই (জাস্ট ডু ইট ডে) দিবসের জন্য বড় এক উদযাপনের আয়োজন করে। আমি কিছু গবেষণা করি এবং নাইকির মধ্যে ভ্যালিয়েন্ট ল্যাবস নামে একটি বিভাগ পাই যা নাইকির ধারণাগুলোর জন্য স্টার্টআপ ইনকিউবেটর হিসেবে কাজ করে।’

তিনি আরও বলেন, কোম্পানিটি বর্তমানে কোনো পদের জন্য জনবল নিচ্ছে না। তবুও নিজের সম্পর্কে কোম্পানিটিকে জানানোর উদ্দেশেই তিনি কাজটি করেছেন।

ব্ল্যাকবার্ন বলেন, ‘একটি বড় পার্টিতে কেক পাঠানোর চেয়ে ভালো আর কি হতে পারে! আমি আমার প্রাক্তন সহকর্মী ট্রেন্ট গ্যান্ডারের সঙ্গে এ নিয়ে চিন্তাভাবনা করছিলাম। তখন তিনি বলেন, কার্লি, আরও ভালো করতে হবে। এটি একটি সৃজনশীল জায়গা, তাই সৃজনশীল পথ ধরেই এগিয়ে যাও।’

এনডিটিভি উল্লেখ করেছে, ব্ল্যাকবার্ন এমন এক পার্টিতে জীবনবৃত্তান্ত সম্বলিত কেক দেয়ার কথা ভাবতে শুরু করে যেখানে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

ব্ল্যাকবার্ন জানান, তিনি উত্তর ক্যারোলিনা থেকে ওরেগনের বেভারটনের সম্পূর্ণ পথ পাড়ি দিতে চেয়েছিলেন। ঠিক তখনই মার্কিন এই নারী এমন এক মুদি দোকানের খোঁজ পান যেখানে কেকের ওপর ছবি ছাপানোর ব্যবস্থা রয়েছে। এরপর তিনি একজন ডেলিভারি সহযোগীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

ব্ল্যাকবার্ন ডেলিভারি সহযোগীর সাথে ফোনে কথা বলেন এবং সে, কেক যেখানে পাঠাতে চায় সেখানে পৌঁছে দিতে রাজি হয়। ব্যাল্ডউইন কেকটি পার্টিতে নিয়ে যান এবং যখন তাকে অভ্যর্থনা ডেস্কে তা রেখে যেতে বলা হয় তখন তিনি বলেন, ‘তাদের হাতে পৌঁছানো আমাকে দেখতেই হবে। আমি কার্লিকে ওয়াদা করেছি যে এই কেকটি সঠিক ব্যক্তির কাছে নিয়ে যাব।’

তিনি নাইকি ক্যাম্পাসেও নেভিগেট করেছিলেন, যখন এক হাতে একটি ঘুমন্ত শিশু এবং অন্য হাতে একটি চাদরের কেক।

এক হাতে ঘুমন্ত শিশু ও অন্য হাতে খাবারযোগ্য জীবনবৃত্তান্ত নিয়ে তিনি নাইকি ক্যাম্পাসে গিয়েছিলেন।

—ইউএনবি