সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে খেলার মাঠে স্কুল না করার দাবীতে মানববন্ধন

জেলা প্রতিনিধি, শেরপুর (ঝিনাইগাতী) :

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে খেলার মাঠে স্কুল না করার দাবিতে মানববন্ধন করেছে স্থানীয়রা। আজ (২৪ অক্টোবর) সোমবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদের সামনে মেইন সড়কে ওই মানব বন্ধনের আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে নেতৃত্বদেন রৌশনারা খাতুন রুমি। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, শাহরিয়ার আহম্মেদ শিফাদ, ফুরকান আলী, মিনহাজ, আবু রায়হান, বায়োজিত হাসান, রনি, নাজমুল, আজিজুর রহমান, নুরুল ইসলাম, হেকমত আলী, মনির হোসেনসহ আরও অনেকেই।

এ সময় বক্তারা বলেন উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের ভালুকা ঐতিহ্যবাহী খেলার মাঠে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ কাজ হাতে নেয়। উক্ত মাঠে বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ করা হলে এলাকায় খেলা ধুলো বন্ধ হয়ে পরবে। দেশ স্বাধীনের পর থেকে এলাকার ক্রিড়াবীদরা ওই মাঠে খেলা ধুলো করে আসছিল।

উক্ত খেলার মাঠের জায়গাটি বন বিভাগের। হঠাৎ করে সকলের অজান্তে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ কাজ হাতে নেয়। এতে এলাকার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, ক্রিড়াবীদসহ সচেতন মহল খেলার মাঠে স্কুল ভবন নির্মাণের বিরুদ্ধে ফুসে উঠতে শুরু করে। আর এর অংশ হিসাবে খেলার মাঠে স্কুল ভবন নির্মাণ না করার দাবিতে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে এলাকাবাসী।

মানববন্ধনে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যসহ এলাকার প্রায় ২শতাধিক লোকজনের সমাগম ঘটে। মানববন্ধন শেষে খেলার মাঠে স্কুল ভবন নির্মাণ না করার দাবিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবর পৃথকভাবে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ফারুক আল মাসুদ বলেন মানববন্ধনে নেতৃত্বদানকারী, উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা ও বনবিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।