সাম্প্রতিক
জাফর ইকবাল-মাকসুদ কামালসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ দুই বছরে ইলিশ উৎপাদন কমেছে ১২ শতাংশের বেশি, বাড়ছে উদ্বেগ ইমরান খানের বোন আলীমা খানকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার ১৯ দিনে দেশে এলো ২৩ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারি চালিত রিকশা: প্রয়োজন পরিকল্পনা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা সরকারি নথিতে গুদামে লাখ লাখ টন, তবুও কৃষক পাচ্ছে না সার কমলাপুর রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে আগুন, ছড়িয়ে পড়ছে পাশের বগিতেও সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বাড়ল ২০ টাকা
Skip to content

বিডিআর বিদ্রোহ: শেখ হাসিনাসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

২০০৯ সালে বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় বিদ্রোহের ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি বিডিআরের উপসহকারী পরিচালক (ডিএডি) মো. আব্দুর রহিমের কারাগারে মৃত্যুর ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৩ জনের নামে হত্যা মামলা করা হয়েছে।

রবিবার (২৫ আগস্ট) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আক্তারুজ্জামানের আদালতে আব্দুর রহিমের ছেলে আইনজীবী আব্দুল আজিজ এই মামলা করেন।

আদালত বাদীর জবানবন্দি নিয়ে আবেদনটি নথিভুক্ত করেন। একই সঙ্গে আব্দুর রহিমের অপমৃত্যুর মামলার নথি তলব করেছেন।

মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে সাবেক বিজিবি মহাপরিচালক ও সাবেক সেনাপ্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আজিজ আহমেদকে। শেখ হাসিনাকে করা হয়েছে চার নম্বর আসামি।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- পিলখানা বিদ্রোহ মামলার আইনজীবী মোশারফ হোসেন, সাবেক কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলাম খান, ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, শেখ সেলিম, নুর আলম চৌধুরী লিটন, শেখ হেলাল, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মির্জা আজম ও হাসানুল হক ইনু।

এছাড়াও ২০১০ সালের জুলাইয়ে দায়িত্বরত কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার ও কারাগারের চিকিৎসকদেরসহ আরও ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলায় বাদী আইনজীবী আব্দুল আজিজ উল্লেখ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সুপরিকল্পিতভাবে বিদেশি এজেন্ট নিয়োগ করে ৫৭ জন সেনা অফিসারসহ ৭৪ জনকে হত্যা করে। পরে বিডিআর বিদ্রোহের অভিযোগে চকবাজার থানায় হত্যা মামলা করা হয়।

বাদী অভিযোগ করেন, তার বাবা আব্দুর রহিম ডিএডি হিসেবে পিলখানায় কর্মরত ছিলেন। তাকেও বিডিআর বিদ্রোহের মামলায় আসামি করে আটক করা হয়।

২০১০ সালের ২৯ জুলাই ডিএডি আব্দুর রহিমকে ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেলা হয় বলে বাদী উল্লেখ করেন।

—–ইউএনবি