সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

লর্ডসে হবে আসন্ন নারী টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল

নারী টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ট্রফি। ছবি : সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক

ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) নিশ্চিত করেছে, ২০২৬ নারী টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ঐতিহাসিক লর্ডসে। ২০১৭ নারী বিশ্বকাপ ও ২০১৯ পুরুষদের ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর, এটি হবে টানা তৃতীয়বারের মতো ইংল্যান্ডে আয়োজিত কোনো আইসিসি বিশ্বকাপ ফাইনাল যা বসবে লর্ডসে। মজার ব্যাপার, আগের দুটিতেই ট্রফি উঠেছিল ইংলিশদের হাতেই!

বিশ্বকাপ শুরু হবে ১২ জুন, অংশ নেবে ১২টি দল। দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে হবে মোট ৩০টি লিগ ম্যাচ। আর এই জমজমাট আসরের জন্য লর্ডস ছাড়াও থাকছে ছয়টি বিখ্যাত স্টেডিয়াম—ওল্ড ট্র্যাফোর্ড, হেডিংলি, এজবাস্টন, হ্যাম্পশায়ার বোল, দ্য ওভাল এবং ব্রিস্টল কাউন্টি গ্রাউন্ড।

আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ বলেন, ‘লর্ডসের মতো এক ঐতিহাসিক মাঠে ফাইনাল হওয়াটাই সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত। এটি শুধু ক্রিকেটের নয়, নারীদের খেলাধুলারও অন্যতম প্রেরণাদায়ী জায়গা। ২০১৭ সালের নারী বিশ্বকাপ ফাইনাল যেখানে ছিল ‘সোল্ড আউট’, সেটা আজও নারী ক্রিকেটের উত্থানের মাইলফলক হয়ে আছে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘এই বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, এটি লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে ক্রিকেটের প্রত্যাবর্তনেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমরা আশা করি, এই আসর বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের মুগ্ধ করবে।’

ইসিবির প্রধান নির্বাহী রিচার্ড গোল্ড বলেন, ‘লর্ডসের মতো জায়গায় নারী বিশ্বকাপের ফাইনাল—এটি প্রতিটি ক্রিকেটারের স্বপ্ন। ২০২৬ সাল নারী ক্রিকেটের ইতিহাসে ইংল্যান্ডের জন্য হবে এক বিশাল অধ্যায়। এটি কেবলমাত্র একটি টুর্নামেন্ট নয়, বরং নতুন প্রজন্মের ভক্তদের ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ জন্ম দেওয়ার এক মহা সুযোগ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা শুধু স্কেলের কথা ভাবছি না, আমরা চাই এটি হোক বিশ্বমানের একটি অভিজ্ঞতা—চোখ ধাঁধানো খেলা, দুর্দান্ত আয়োজন এবং অসাধারণ পরিবেশ, যা খেলোয়াড়, দর্শক ও সম্প্রচার সবার জন্য হবে স্মরণীয়।’

বিশ্ব ক্রিকেট এখন প্রস্তুতি নিচ্ছে নারী ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় মঞ্চ সাজাতে। আর ২০২৬ সালের গ্রীষ্মে ইংল্যান্ড যেন অপেক্ষা করছে আরেকটি ইতিহাসের জন্য—যেখানে গর্জে উঠবে নারীদের ব্যাট-বলের নতুন মহাকাব্য, ঠিক লর্ডসেরই প্রাচীন গ্যালারিতে।