সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

গ্রিনিজ-মিঁয়াদাদসহ কিংবদন্তিদের কাতারে মুশফিক

 

মিরপুর টেস্টের প্রথম দিন ৯৯ রানে অপরাজিত থেকে এক রানের অপেক্ষা নিয়ে দিন শেষ করেছিলেন মুশফিকুর রহিম। বাংলাদেশের হয়ে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলতে নামা এই অভিজ্ঞ ব্যাটার সেই বিশেষ ম্যাচটিকে আরও স্মরণীয় করে তুললেন সেঞ্চুরি দিয়ে। শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করে তিনি গর্ডন গ্রিনিজ, জাভেদ মিঁয়াদাদ, ইনজামাম-উল-হক ও গ্রায়েম স্মিথদের সঙ্গে নাম লেখালেন।

বৃহস্পতিবার সকালে মুশফিক আগেরদিনের সঙ্গী লিটন দাসকে সাথে নিয়ে ক্রিজে নামেন। ম্যাথু হাম্প্রিসের করা প্রথম ওভারটি সতর্কতার সঙ্গে খেলেন তিনি। এরপর জর্ডান নিলের পরের ওভারে লিটনের সিঙ্গেলে স্ট্রাইক পান মুশফিক। তৃতীয় বলটি স্কয়ার লেগে ঠেলে ব্যক্তিগত শতক পূর্ণ করেই দু’হাত প্রসারিত করে উদযাপন করেন এবং কৃতজ্ঞতা জানান সৃষ্টিকর্তাকে।

বিশ্ব ক্রিকেটে এটি মাত্র ১২তম ঘটনা—শততম টেস্টে কোনো ব্যাটারের সেঞ্চুরি। মুশফিক নিজেই এই ল্যান্ডমার্ক স্পর্শ করা ১১তম ক্রিকেটার। রিকি পন্টিং একমাত্র ব্যাটার, যিনি শততম টেস্টে দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি করেছিলেন। সাম্প্রতিকদের মধ্যে জো রুট ও ডেভিড ওয়ার্নার এই ম্যাচে ডাবল সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েছিলেন।

মুশফিক এই সেঞ্চুরির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের হয়ে মুমিনুল হকের সঙ্গে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ১৩টি টেস্ট সেঞ্চুরির মালিক হলেন। তবে ল্যান্ডমার্ক ইনিংসটি বড় করতে পারেননি; হাম্প্রিসের হালকা বাউন্স ও টার্নে স্লিপে অ্যান্ডি বালবার্নির হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে থামেন ২১৪ বলে ১০৬ রানে। তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ৫টি चौকের মাধ্যমে। মুশফিকের বিদায়ের সঙ্গে ভাঙে লিটনের সঙ্গে গড়া ১০৮ রানের মূল্যবান জুটি, এবং দল ৩১০ রানে পঞ্চম উইকেট হারায়।

সতীর্থের বিদায়ের পরের বলেই লিটন দাস চার মেরে পূর্ণ করেন তার ২০তম টেস্ট ফিফটি। এসময় তার সঙ্গে ক্রিজে ছিলেন অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। আগেরদিন বাংলাদেশ ৪ উইকেটে ২৯২ রানে প্রথম দিনের খেলা শেষ করেছিল।

এনএনবাংলা/