সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে কলম্বোর টিকিট কাটল পাকিস্তান

ছবি: এএফপি

 

বাংলাদেশের প্রতি ‘অবিচার’ হয়েছে দাবি করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কটের হুমকি দিয়েছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। তবে সেই কঠোর অবস্থান থেকে সরে এসে শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। এরই মধ্যে আসন্ন বিশ্বকাপের জন্য কলম্বোর টিকিটও কেটে ফেলেছে পাকিস্তান দল।

টেলিকম এশিয়া স্পোর্টসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পাকিস্তান দলকে বিশ্বকাপের পূর্ণ প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সালমান আলি আঘার নেতৃত্বাধীন দলের কলম্বো যাওয়ার ফ্লাইট ইতোমধ্যে বুক করা হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চলমান সিরিজ শেষ করে অস্ট্রেলিয়া দলটির সঙ্গেই কলম্বো যাবে পাকিস্তান।

এর আগে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি বলেছিলেন, বাংলাদেশের সমর্থনে বিশ্বকাপ বয়কটের বিষয়টি তারা বিবেচনা করছেন। নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে ভারত থেকে ভেন্যু পরিবর্তনের দাবি না মানায় বাংলাদেশ টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়েছে—এমন অভিযোগ থেকেই পিসিবির কঠোর অবস্থান তৈরি হয়েছিল। তবে পরিস্থিতির বাস্তবতা বিবেচনায় শেষ পর্যন্ত সুর নরম করেছে বোর্ডটি।

বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করতে পারে পাকিস্তান—এমন গুঞ্জন এখনো রয়েছে। যদিও টিম ম্যানেজমেন্টকে আপাতত পুরো বিশ্বকাপ সামনে রেখেই প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পাকিস্তান দল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলছে।

মূলত আইসিসির কঠোর শাস্তির ঝুঁকি এড়াতেই বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে পাকিস্তান। টুর্নামেন্ট বর্জন করলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা, আইসিসি টুর্নামেন্ট আয়োজনের অধিকার হারানো এবং বার্ষিক রাজস্ব বণ্টন বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো ঝুঁকিতে পড়তে পারত দেশটি। এছাড়া পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) বিদেশি ক্রিকেটারদের এনওসি না পাওয়ার আশঙ্কাও ছিল।

এনএনবাংলা/