Skip to content

Upcoming
Argentina
0-0
Austria
Source: ESPN

বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে গৌতম আদানি

অনলাইন ডেস্ক :

মাত্র গত কয়েক বছর আগেও ভারতের বাইরে অনেকেই আদানির নাম শুনেছিলেন কিনা সন্দেহ। কিন্তু সেই আদানি, যে কিনা কলেজও পাশ করতে পারেনি, এবার হয়ে গেলেন বিশ্বের তৃতীয় ধনকুবের। কোনও এশিয়ান হিসেবে এই প্রথম বিরলতম নজির স্পর্শ করলেন আদানি। মঙ্গলবার (৩০ আগষ্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি। ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার্স ইনডেক্স অনুযায়ী, বিলাসবহুল ফ্যাশন সংস্থা লুই ভিটনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বার্নার্ড আর্নল্টকে ছাপিয়ে তৃতীয় স্থান দখল করেছেন আদানি। বর্তমানে বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তিদের তালিকায় এখন আদানির আগে রয়েছেন মাত্র দু’জন। একজন এলন মাস্ক ও অপরজন জেফ বেজোস। ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার্স ইনডেক্সের তথ্য অনুসারে, টেসলা সিইও ইলন মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ ২৫ হাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলার। আর অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা সিইও জেফ বেজোসের মোট সম্পদের পরিমাণ ১৫ হাজার ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার। অন্যদিকে ৬০ বছর বয়সী ভারতীয় এই শিল্পপতির মোট সম্পদের পরিমাণ ১৩ হাজার ৭০০ কোটি মার্কিন ডলার। গত কয়েক বছর ধরেই আদানি গ্রুপ নানা খাতে ব্যবসা ছড়িয়ে দিচ্ছিল। আর তারই ফলশ্রুতিতে বিশ্বের তৃতীয় ধনী গৌতম আদানি। ডেটা সেন্টার থেকে সিমেন্ট, মিডিয়া সব ক্ষেত্রেই বিনিয়োগ করেছেন আদানি। বর্তমানে এই গোষ্ঠী দেশের বেসরকারি খাতের বৃহত্তম বন্দর ও এয়ারপোর্টের অপারেটর। এছাড়াও দেশের সবচেয়ে বড় কয়লা ব্যবসায়ী বলেও জানা গেছে। একটি রিপোর্ট বলছে আদানি ২০২২ সালেই আদানির সম্পদ বৃদ্ধি পেয়েছে ৬০.৯ বিলিয়ন ডলার। যা কিনা অন্য যে কারোর থেকেই কমপক্ষে ৫ গুণ বেশি। ভারতীয় মুদ্রায় এই পরিমাণ প্রায় ৫ লাখ কোটি টাকা। চলতি বছরের শুরু থেকেই একের পর এক নজির স্পর্শ করেছেন আদানি। গত ফেব্রুয়ারিতে মুকেশ আম্বানিকে পেছনে ফেলেন এশিয়ার সবচেয়ে ধনী হিসেবে এবং এপ্রিল মাসে শত কোটিপতি (সেন্টবিলিয়নেয়ার) হয়েছিলেন। গত মাসে বিশ্বের চতুর্থ ধনী ব্যক্তি হিসেবে মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের বিল গেটসকে ছাড়িয়ে যান। আর এবার এলেন তৃতীয় স্থানে। এদিকে আদানির নামে রয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকার দেনাও। সম্প্রতি, ফিনটেক সংস্থা ক্রেডিটসাইটসের রিপোর্ট দাবি করেছে, ব্যবসা বৃদ্ধি ও অধিগ্রহণ এই দুইয়ের জন্যই বিপুল পরিমাণে ঋণ নিয়েছেন গৌতম আদানি। একটি সমীক্ষা বিস্ফোরক দাবি করে জানায়, দেশের বৈদেশিক মুদ্রায় নেওয়া প্রতি পাঁচ ডলার ঋণের মধ্যে এক ডলারই গৌতম আদানির এবং মুকেশ আম্বানির নেয়া।