সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

বিবৃতিটি কোনো বৈশ্বিক প্রতিবেদন ছিল না: জাতিসংঘ মানবাধিকার কার্যালয়

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে, সম্প্রতি জেনেভায় বৈশ্বিক ইস্যুতে হাইকমিশনারের দেয়া প্রতিবেদনের শেষ বিবৃতির ভুল তথ্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে।

বিবৃতিতে তারা বলেছে, এই বিবৃতিটি কোনো ‘বৈশ্বিক প্রতিবেদন’ ছিল না।

মঙ্গলবার জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের মুখপাত্র রাভিনা শামদাসানি ওই বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা ভুল তথ্যের জন্য দুঃখিত। এটি বৈশ্বিক প্রতিবেদনের উদ্দেশ্য ছিল না।’

তিনি বলেন, যেহেতু হাইকমিশনার হিসেবে তিনি ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের মানবাধিকার বিষয়গুলোতে অনেক কিছু জেনেছেন, তাই তিনি জেনেভায় তার ২৫ আগস্টের শেষের ম্যান্ডেটের বিবৃতিকে বৈশ্বিক সমস্যাগুলোতে (জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য, জ্বালানি, অর্থ সংকট, নাগরিক স্থান ইত্যাদির ওপর) ফোকাস করতে বেছে নিয়েছেন।

মুখপাত্র বলেন, কেননা এই বিষয়গুলো বাংলাদেশ সহ সব দেশকে প্রভাবিত করছে এবং সেদিনই ছিল রোহিঙ্গাদের বাস্তুচ্যুত হওয়ার পঞ্চম বার্ষিকী।

রাভিনা জানান, জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য, জ্বালানি, আর্থিক সংকট, নাগরিক স্থান ইত্যাদিসহ বৈশ্বিক ইস্যুতে হাইকমিশনারের বক্তব্য বাংলাদেশের রোহিঙ্গা বর্ষপূর্তিসহ সকল দেশকে প্রভাবিত করছে।

তিনি আরও বলেন, আপনারা অবশ্যই অবগত আছেন যে হাইকমিশনার ঢাকায় সরকার, সুশীল সমাজ এবং অন্যান্য সংলাপে তার বৈঠক এবং ঢাকায় তার মিশন শেষের বিবৃতিতে বিস্তৃত মানবাধিকার ইস্যু নিয়ে তার উদ্বেগ ব্যাপকভাবে আলোচনা করেছেন।

ঢাকায় দেয়া তার বিবৃতিতে হাইকমিশনার বলেন, ‘সমস্যাগুলো স্বীকার করে নেয়া সমাধানের প্রথম ধাপ।’ এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় হাইকমিশনারের সুপারিশ অনুসারে বাংলাদেশে মানবাধিকারের প্রচার ও সুরক্ষা এবং অন্যান্য সহায়তা করতে প্রস্তুত।

—ইউএনবি