সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

ইরাকে হামলায় ৯ পুলিশ নিহত, আইএসের দায় স্বীকার

অনলাইন ডেস্ক :

ইরাকের উত্তরাঞ্চলে বোমা ও বন্দুক হামলায় অন্তত নয় পুলিশ নিহত হওয়ার ঘটনার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)। রোববার রাজধানী বাগদাদ থেকে প্রায় ২৯০ কিলোমিটার উত্তরে তেল সমৃদ্ধ শহর কিরকুকের কাছে হামলার ঘটনাটি ঘটে। ওই এলাকার চালাল আর-মাতার গ্রামের কাছে পুলিশ সদস্যদের বহনকারী একটি ট্রাককে লক্ষ্য করে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে হামলাটি শুরু করা হয়। বিস্ফোরণের পর ‘ছোট আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে সরাসরি হামলা চালানো হয়’ বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। এ হামলায় আরও দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা। এক কর্মকর্তা বলেন, “এক হামলাকারী নিহত হয়েছে। অন্যান্যের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি আমরা।”বাগদাদ থেকে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে বিবিসি জানিয়েছে। এর আগে ১৪ ডিসেম্বর বাগদাদের কাছে রাস্তার পাশে পেতে রাখা এক বোমা বিস্ফোরণে তিন ইরাকি সেনা নিহত হয়েছিল, আইএস ইতোমধ্যে ওই হামলার দায়ও স্বীকার করেছে। আইএস একসময় ইরাকের পূর্বাঞ্চল থেকে শুরু করে প্রতিবেশী সিরিয়ার পশ্চিমাঞ্চল পর্যন্ত ৮৮ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা দখল করে নিয়ে সেখানে তাদের শাসন কায়েম করেছিল। কিন্তু ২০১৭ সালে সিরিয়ার সীমান্ত অঞ্চলের শক্তিকেন্দ্রগুলো থেকে আইএস জঙ্গিদের হটিয়ে দেওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে জয় ঘোষণা করে ইরাকি বাহিনীগুলো। ২০১৯ সালে আইএসের দখলে থাকা শেষ অঞ্চলটি থেকেও তাদের হটিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু জঙ্গি গোষ্ঠীটি একটি ‘অবিরাম হুমকি’ হিসেবে রয়ে গেছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ। তাদের এক হিসাবে বলা হয়েছে, সিরিয়া ও ইরাকে আইএসের ছয় হাজার থেকে ১০ হাজার যোদ্ধা আছে। এদের অধিকাংশই দেশ দুটির গ্রামীণ এলাকায় আত্মগোপন করে আছে আর হঠাৎ হামলা চালিয়ে পালিয়ে যাওয়া, চোরাগোপ্তা হামলা ও রাস্তার পাশে বোমা পেতে রাখার মতো বিভিন্ন গেরিলা কায়দায় আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে। এক পর্যবেক্ষণে জাতিসংঘ জানিয়েছে, একের পর এক নেতা হারালেও গোষ্ঠীটির এখনও ‘জটিল আক্রমণ’ চালানোর মতো সক্ষমতা রয়ে গেছে।