সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

গানের সুরে জাবি মাতালেন অঞ্জন দত্ত

অনলাইন ডেস্ক :

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ৩১তম ব্যাচের দ্বিতীয় পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে গানের সুরে মাতালেন ভারতীয় বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী অঞ্জন দত্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ের সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে ‘বেলা বোস’, ‘রঞ্জনা’, ‘আমি বৃষ্টি দেখেছি’, ‘ম্যারি এ্যান’, ‘তুমি না থাকলে সকালটা এত মিষ্টি হতো না’ মতো জনপ্রিয় সব গান পরিবেশন করেন তিনি। গত শুক্রবার রাতে অনুষ্ঠিত পশ্চিমবঙ্গের নন্দিত গায়ক, অভিনেতা, চলচ্চিত্র পরিচালক ও লেখক অঞ্জন দত্তের গান সরাসরি শুনতে পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। গান পরিবেশনের আগে অঞ্জন দত্ত বলেন, ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশে প্রথম এসেছিলাম। তবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এবারই প্রথম এসেছি। বাংলাদেশে আসতে পেরে আমি ভীষণ আনন্দিত। এপার বাংলার লাখ লাখ দর্শক শ্রোতা রয়েছে আমার। যাদেরকে আমি ভীষণ ভালোবাসি এবং স্মরণ করি। আমি এসব মানুষের ভালোবাসা পেয়ে নিজেকে ধন্য মনে করি। তিনি বলেন, বেলাবোস নিয়ে পড়ে থেকে লাভ নাই এখন তিনি হয়তো মূখার্জি, খান অথবা চৌধুরী হয়ে গেছেন। এখন ল্যান্ডফোনের যুগটাও নেই হয়ে গেছে মোবাইলের যুগ। তবুও আপনারা বেলা বোস নিয়ে পড়ে আছেন? গান শুনতে আসা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ও সাবেক শিক্ষার্থী সোহেল পারভেজ বলেন, অঞ্জন দত্তের জীবনমুখী গান শুনে খুব ভালো লাগছে। জাহাঙ্গীরনগরে এটা অঞ্জন দত্তের প্রথম কনসার্ট। ৩১ ব্যাচের সকলকে এমন সুন্দর অনুষ্ঠান উপহার দেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। আরেক সাবেক শিক্ষার্থী ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, এত সামনে থেকে তার গান শুনতে পাবো এটা আসলে চিন্তার বাইরে ছিল। তিনি বাংলাদেশি না হলেও তিনি বাঙালি এবং এদেশের মানুষের প্রাণে মিশে আছেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. নূরুল আলম, ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) পরিচালক অধ্যাপক আলমগীর কবির, প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান প্রমুখ।