সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

মামুনুর রশীদের মন্তব্যে, যা বললেন হিরো আলম

অনলাইন ডেস্ক :

হিরো আলমকে নিয়ে করা নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদের মন্তব্যে বেশ তোলপাড় শুরু হয়েছে। এক প্রতিবেদনে বরেণ্য এই নাট্যব্যক্তিত্ব বলেছেন, রুচির দুর্ভিক্ষের কারণে সমাজে হিরো আলমের উত্থান হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ফেসবুক লাইভে এসে নিজের মতামত জানিয়েছেন হিরো আলম। সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফেসবুক লাইভে হিরো আলম বলেন, ‘তার মতো এত বড় মানুষ আমাকে নিয়ে কথা বলেছেন। এটা আমার জন্য সৌভাগ্য। সে নেগেটিভ বলুক আর পজিটিভ বলুক। আমি তাকে সাধুবাদ জানাই তার মতো একজন লোক আমাকে চেনেন।’ মামুনুর রশীদকে পাল্টা জবাব দিয়ে হিরো আলম বলেন, ‘আমি নাকি দেশের রুচি নষ্ট করে ফেলছি, সমাজ নষ্ট করে ফেলছি। তাই যদি হয়, দেশে এত যে রুচিশীল মানুষ আছেন, তারা কেন সমাজের রুচি ফিরিয়ে আনতে পারছেন না? আজ আমার জন্য কে দায়ী। আপনারা আমাকে নিয়ে কথা কেন বলেন। একদিন এমন লাইভ করে পৃথিবী থেকে চলে যাব। আপনার রুচি নিয়ে থাকেন। আমি যদি আত্মহত্যা করি, এর জন্য দায়ী থাকবেন আপনারা। মানুষ আত্মহত্যা কখন করে জানেন? সব কিছুতে টর্চারিং করতেছেন। স্যার, আপনি আমাকে নিয়ে যে কথাবার্তা বলেছেন, অনেক আর্টিস্ট আপনার হাতে তৈরি। অনেক লোক আপনার হাতে তৈরি। স্যার আপনি ইচ্ছে করলে কিন্তু আমাকে তৈরি করতে পারতেন। কিন্তু করেননি। হিরো আলমের জন্য বাংলাদেশ নাকি নষ্ট হচ্ছে। যখন নাটকে গালিগালাজ করে, তখন কি আপনাদের রুচি নষ্ট হয় না।’ হিরো আলম আরো বলেন, ‘আমার কী অপরাধ, কেন আমার লেখাপড়া নাই, চেহারা নাই? আপনার ছেলে যদি হতাম আমি। এভাবে বলতে পারতেন কেউ। হিরো আলমের মামা খালু নাই, ওয়েট নাই। অনেক এমপি দেখছি- সমাজের, দেশের, মানুষের কথা বলে না। নিজেরা ব্যস্ত। কয়টা লোকের রুচি আছে, সংসদে যারা; তাদের কয়জনের লেখাপড়া আছে। ১৮ কোটি লোক থাকতে আমাকে নিয়ে কেন রুচিতে বাধে আপনাদের। আমি কী অপরাধ করেছি। আমি যদি রুচি নষ্ট করে থাকি, টিকটক দেখেন তো; কেন তাদের বন্ধ করতে পারতেছেন না। অন্যান্যের নিয়ে কথাবার্তা বলেন না। এসবের জন্য আমি যদি আত্মহত্যা করি; এর জন্য দায়ী থাকবেন রুচিসম্পন্ন মানুষেরা।’ উল্লেখ্য, গত রোববার সংবাদমাধ্যমে ‘রুচির দুর্ভিক্ষে হিরো আলমের উত্থান : মামুনুর রশীদ’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। অভিনয়শিল্পী সংঘের একটি অনুষ্ঠানে মামুনুর রশীদের করা মন্তব্য তুলে ধরা হয় ওই প্রতিবেদনে। তিনি বলেছিলেন, ‘আমরা একটা রুচির দুর্ভিক্ষের মধ্যে পড়ে গেছি। সেখান থেকে হিরো আলমের মতো একটা লোকের উত্থান হয়েছে। যে উত্থান কুরুচি, কুশিক্ষা ও অপসংস্কৃতির উত্থান। এই উত্থান কীভাবে রোধ করা যাবে, এটা যেমন রাজনৈতিক সমস্যা, তেমনি আমাদের সাংস্কৃতিক সমস্যাও।’