সাম্প্রতিক
২৫ বছর আগে ১ অক্টোবরের নির্বাচনে যেভাবে বড় জয় পেয়েছিল বিএনপি অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো ‘অভিযান’ চালানোর পরিকল্পনা নেই সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির এমপি মিষ্টির পদত্যাগপত্র গৃহীত, সংরক্ষিত নারী আসন-২৩ শূন্য ঘোষণা ক্যালিফোর্নিয়ায় বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধ, যুক্তরাষ্ট্রের ৩২ অঙ্গরাজ্যে কেন নয়? চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ১৫ বছর চালাবে বিদেশি অপারেটর, চুক্তি অনুমোদন অক্টোবরে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার শঙ্কা ৪৬ হাজার কোটি টাকায় মেট্রোরেলের ভূগর্ভস্থ-উড়ালপথ নির্মাণের অনুমোদন ৪৫৯২ জনবল নিয়ে সাইবার পুলিশ ইউনিটের যাত্রা শুরু, থাকবেন ডার্ক ওয়েব ও ক্রিপ্টো অ্যানালিস্ট অবরোধে অস্থির ফ্রান্স: শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে, বন্ধ ১৬০টির বেশি স্কুল একটি দলের ‘অপশক্তি’ অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

কাজে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিপাশা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

লাক্স তারকা বিপাশা কবির। ২০১২ সালে ‘ভালোবাসার রঙ’ ছবির আইটেম গানে অংশ নিয়ে রুপালি পর্দায় যাত্রা শুরু করেন। এরপর অনেক ছবিতে আইটেম গানে পারফর্ম করে আলোচনায় আসেন তিনি। বর্তমানে চলচ্চিত্রের প্রধান নায়িকা হিসেবে কাজ করেছেন। তার হাতে রয়েছে বেশকিছু সিনেমা। বিপাশা কবির জানান, করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় আবারো কাজে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ৩টি ছবির কাজ রানিং ছিল। কিন্তু লকডাউনের কারণে বন্ধ হয়ে যায়।প্রযোজক-পরিচালকদের সঙ্গে কথা হচ্ছে। এ মাসেই শুটিংয়ে নেমে পড়তে পারবো আশা করছি। এদিকে, বিপাশা সম্প্রতি একঘেয়েমি কাটানোর জন্য কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে গিয়েছিলেন। কেমন সময় কাটলো জানতে চাইলে এই নায়িকা বলেন, অনেকদিন ঘরে থাকতে থাকতে একঘেয়েমি চলে আসে। তাই চিন্তা করলাম একটু ঘুরে আসি। মা, বোন, বোনের মেয়ের সঙ্গে খুব ভালো সময় কেটেছে। অভিনেত্রীর হাতে ‘পরাণে পরাণ বান্ধিয়া’ ও ‘জেদি মেয়ে’সহ আরও কয়েকটি সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় আছে। আর কাজ চলমান আছে ‘যার নয়নে যারে ভালো লাগে’, ‘গিভ অ্যান্ড টেক’র। সবমিলিয়ে বিপাশা বলেন, করোনার মধ্যেও কাজ চালিয়ে গেছি। যে ক’টি ছবি করেছি প্রত্যেকটি নিয়েই আমি বেশ আশাবাদী। একে একে মুক্তি পেলে ভালো কিছুই হবে। প্রেক্ষাগৃহে সিনেমা মুক্তি দেয়াকে কেন্দ্র করে যে উৎসব বিরাজ করতো সেটা মিস করেন বলেও উল্লেখ করেন এই নায়িকা। বিপাশা কবির বলেন, আমরা তো মূলত হলের শিল্পী। আগের দিনগুলো খুব মিস করি। খারাপ লাগে আসলে। কারণ, হল থেকেই আমার জন্ম। হলেই সবসময় ছবি মুক্তি হয়েছে। ছবি মুক্তি পেলে হলে হলে ঘোরার অভিজ্ঞতা অন্যরকম। দর্শক সাড়া সামসামনি দেখার মধ্যে একটা আনন্দ আছে। ওই অনুভূতি বলে বোঝানো যাবে না। আবার হল চাঙ্গা হোক সেটাই চাই। হল বাঁচলেই আমরা বাঁচবো।