সাম্প্রতিক
জ্বালানি তেলের দাম বাড়তেই চড়া নিত্যপণ্যের বাজার পাকিস্তান সফর কবে যাবেন, সাংবাদিকদের প্রশ্নে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত: পুলিশ সৌদি-হুতি সংঘাত: রিয়াদে যাচ্ছেন পাকিস্তান-তুরস্কের সেনাপ্রধান, যুদ্ধের প্রস্তুতি? চুয়েটে নতুন ভিসিকে ‘প্রত্যাখ্যান’, রোববার থেকে শিক্ষকদের সর্বাত্মক কর্মবিরতি সেপ্টেম্বরের ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ মৃত্যু অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন জাতিসংঘে জাইমা রহমানের নিয়োগ: লিগ্যাল অফিসার পদটির কাজ কী? চীনের প্রেসিডেন্টকে নৈশভোজে কী খাওয়ালেন ট্রাম্প, অতিথি ছিলেন প্রযুক্তি দুনিয়ার মহারথীরা হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ইরানের ৭ দিনের পরিকল্পনায় কী আছে
Skip to content

সায়ন্তিকার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন প্রযোজক

অনলাইন ডেস্ক :

সিনেমার শুটিং শেষ না করে মাঝপথে কলকাতায় ফিরে গেছেন পশ্চিমবঙ্গের নায়িকা সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর ফলে আটকে গেছে তাজু কামরুল পরিচালিত সিনেমাটি। প্রযোজক মনিরুল ইসলামের দাবি- নৃত্য পরিচালক মাইকেল বাবুর সঙ্গে কাজ করবেন না বলেই ঢাকা ছেড়েছেন সায়ন্তিকা। সঙ্গে এটাও জানান, মাইকেলের বিরুদ্ধে সায়ন্তিকা হাত ধরার যে অভিযোগ করেছেন, তা সত্য নয়। গত শনিবার এ নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে কথা বলেছেন সায়ন্তিকা। সেখানে অভিনেত্রী দুষেছেন প্রযোজককে। সায়ন্তিকা দাবি করেছেন, নৃত্য পরিচালক নয়; বরং মূল সমস্যার নেপথ্যে সিনেমার প্রযোজক। কোনো ধরনের পরিকল্পনা ছাড়াই শুরু হয়েছে ‘ছায়াবাজ’র শুটিং। বারবার চেষ্টা করেও টেকনিক্যাল সমস্যার সমাধান পাননি তিনি।

সায়ন্তিকার এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে যোগাযোগ করা হয় প্রযোজক মনিরুল ইসলামের সঙ্গে। অভিযোগের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি তিনিও সায়ন্তিকার বিরুদ্ধে আনলেন অপেশাদারিত্বের অভিযোগ। প্রযোজক মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘সায়ন্তিকার সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও হাস্যকর। হাত ধরা নিয়ে সায়ন্তিকার সমস্যা মাইকেল বাবুর সঙ্গে। তিনি পরিচালককে ফোন করে মাইকেল বাবুকে মারতেও চেয়েছিলেন। এখন আমার বিরুদ্ধে সায়ন্তিকা কেন অভিযোগ করছেন, সেটাই তো বোধগম্য নয়। আমার সঙ্গে তার সমস্যা হলে মাইকেলকে কেন বসিয়ে রাখবেন? একজন তারকা যদি নিজের ব্যক্তিত্ব ধরে রাখতে না পারেন, তা হলে আর কী বলার আছে।’

শুটিংয়ে অব্যবস্থাপনার অভিযোগ প্রসঙ্গে মনিরুল বলেন, ‘কীভাবে শুটিং হবে, এটা ঠিক করেন পরিচালক। আগে থেকে পরিকল্পনা ছিল গানের দৃশ্য দিয়ে শুরু হবে শুটিং। অপেশাদারি আচরণ আমি নই, সায়ন্তিকা করেছেন। চুক্তির বাইরে আমরা তাকে ৫০ হাজার রুপি দিয়েছি পোশাকের জন্য। অথচ তিনি কোনো পোশাক নিয়ে আসেননি। এরপর আবার ড্রেসম্যান মনিরকে দিয়ে পোশাকের ব্যবস্থা করে দিয়েছি।

সেই পোশাকগুলোও সায়ন্তিকা ফেরত দিয়ে যাননি। ‘মাইকেলের ডিরেকশনে গানের শুটিং করার সময় ড্রেস পরিবর্তন করার জন্য বেলা ২টায় হোটেলে যান নায়ক-নায়িকা। ফিরে আসেন সন্ধ্যা ৬টায়। ড্রেস চেঞ্জ করতে চার ঘণ্টা সময় লাগে, এমনটি কখনো দেখিনি। এ ছাড়া যেদিন আমরা শুটিং প্যাকআপ করে পুরো ইউনিট নিয়ে চলে আসি, সেদিন নায়ক-নায়িকা হোটেলেই থেকে যান। ওই দিন তারা সেখানে কী করছিলেন? এ প্রশ্নের জবাব তারা কী দেবেন? এ কথাগুলো কখনো সামনে আনতে চাইনি। কিন্তু এখন আর চুপ করে থাকতে পারলাম না।’ এদিকে নায়িকা ও প্রযোজকের পালটাপালটি অভিযোগে ‘ছায়াবাজ’ সিনেমাটি নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।