সাম্প্রতিক
লঞ্চের ভাড়া বাড়ল, রেলের এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি সাধারণ গ্রাহকদের জন্য বন্ধ হচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক? ঢাকায় অফিস খুলতে আগ্রহী মেটা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বারিধারায় নির্মাণশ্রমিককে গাড়িচাপা: অবশেষে গ্রেপ্তার সেই কিশোর চালক ট্রাম্প আমাদের ‘সন্ত্রাসী’ বলেছেন, অথচ আমরাই সন্ত্রাসের শিকার: জাতিসংঘে পেজেশকিয়ান অবশেষে ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ এনওসি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অচল চুয়েট, চলছে দ্বিতীয় দিনের শাটডাউন বোয়িং থেকে আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, আজ চুক্তি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব
Skip to content

‘দ্য রেলওয়ে মেন’ নেটফ্লিক্সের শীর্ষে

অনলাইন ডেস্ক :

গেল ১৮ নভেম্বর নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে ওয়েব সিরিজ ‘দ্য রেলওয়ে মেন’। ১৯৮৪ সালে ভারতের ভোপালের গ্যাস লিকেজের সত্য ঘটনা নিয়ে নির্মিত এই সিরিজটি যেন দর্শক মনে ছেয়ে গেছে। তাইতো মুক্তির দুই সপ্তাহের মধ্যেই নেটফ্লিক্সের গ্লোবাল নন-ইংরেজি টিভি তালিকায় তৃতীয় স্থানে জায়গা দখল করে নিয়েছে এই ওয়েব সিরিজটি। শুধু তাই নয়, চার পর্বের এই মিনি সিরিজের আইএমডিবি রেটিং ৮.৬। ৫৪ শতাংশ দর্শক ওয়েব সিরিজকে ১০-এ ১০ রেটিং দিয়েছেন। সেই সঙ্গে ইতোমধ্যেই ৪.৬ মিলিয়ন ভিউ হয়েছে এই ওয়েব সিরিজটির। ভোপাল রেলওয়ের স্টেশনমাস্টার ইফতেখার সিদ্দিকী (কে কে মেনন)। কাজপাগল যেই সৎ মানুষটি স্টেশনের যাত্রী সুবিধাকে সব সময় প্রাধান্য দেন।

কোথায় রেললাইন মেরামত করতে হবে, কোথায় টেলিফোন নষ্ট হয়েছে-এমন নানা সমস্যা দেখলেই তিনি সমাধান করতে ছুটে যান। সবাই তাকে পছন্দ করেন। ব্যস্ততার মধ্যেই তিনি হঠাৎ বুঝতে পারেন, রেলস্টেশনের লোকজন ছোটাছুটি করছেন। বাইরে এসে বুঝতে পারেন, বাতাসে গ্যাসের গন্ধ। একের পর এক মানুষ নিশ্বাস বন্ধ হয়ে পড়ে যাচ্ছেন। সারা জীবন রেলস্টেশনকে ভালোবাসা মানুষটি কি আজ স্টেশন ছাড়তে পারবেন? ঠিকই ধরেছেন। তিনি স্টেশনের মানুষকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। জীবন বাজি রেখে সবাইকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিতে কাজ করেন। কিন্তু এর মধ্যেই ভোপালের এই স্টেশনে আসে আরেকটি ট্রেন। তাতে আছেন কয়েক হাজার মানুষ। পুরো সিনেমার টান টান উত্তেজনা ক্ষণিকের জন্য হলেও দর্শককে নিয়ে যাবে ১৯৮৪ সালের ভোপালের সেই রেলস্টেশনে। ওয়েব সিরিজটির প্রথম ফ্রেম থেকে প্রতিটি মুহূর্তে দর্শকের চোখ আটকে রাখবে।

মানুষের আর্তচিৎকার, জীবন বাঁচানোর লড়াই, মৃত্যু-সবই মনে হবে চোখের সামনে ঘটছে, কেননা এর নির্মাণ এতটাই বাস্তবসম্মত ছিল। বাড়তি কোনো মিউজিক ছিল না। কালার গ্রেডিং থেকে শুরু করে গল্প বর্ণনা, গল্প ছড়িয়ে যাওয়া দর্শকদের টেনশন বাড়িয়ে তোলে। এতে অভিনয় করেছেন আর মাধবন, কে কে মেনন, দিব্যেন্দু শর্মা, বাবিল খান, জুহি চাওলা, মন্দিরা বেদি, রঘুবীর যাদব, রাহুল তিওয়ারিসহ আরও অনেকেই। আর সবার কাছ থেকে সেরা অভিনয় বের করে নিয়েছেন পরিচালক শিব রাওয়াল। সূত্র: বলিউড হাঙ্গামা