সাম্প্রতিক
এআইইউবি’র ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. হাসানুল এ. হাসান, ভাইস চেয়ারম্যান ইশতিয়াক আবেদীন ডেঙ্গুতে বাড়ছে মৃত্যু, সেপ্টেম্বরের ১৩ দিনেই ৬০ প্রাণহানি যুক্তরাজ্য ভেঙে দিতে চায় তিন দেশ, ফার্স্ট মিনিস্টারদের চুক্তি বিদ্যুতে লুটপাট: ১৭ বছরে পরিশোধ ২,৮৯,৯৪৯ কোটি টাকার ক্যাপাসিটি চার্জ! ডাকসুতে জিন্নাহ’র ছবি প্রদর্শনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে: ঢাবি কর্তৃপক্ষ ঢাকা দক্ষিণে সাদিক কায়েম, উত্তরে সেলিম উদ্দিনকে মেয়র প্রার্থী করল জামায়াত ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার হরমুজ বন্ধের খবরে তেলের দাম বাড়ছে হু হু করে ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন, আতঙ্কে পদদলিত হয়ে শিশুসহ নিহত ৬ টানাপোড়েনের মধ্যেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে চায় ভারত
Skip to content

ডেভেলপমেন্ট কাপ হকিতে বিকেএসপির মেয়েদের বাজিমাত

ছবি: সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক:

‘তোমরা যা খেতে চাইবে, খাও। যেখানে ঘুরতে যেতে চাও, যাও। আমি বলে দিচ্ছি। আমি তোমাদের খেলায় খুবই খুশি’, শনিবার মওলানা ভাসানী স্টেডিয়ামে মেয়েদের ডেভেলপমেন্ট কাপ হকিতে চ্যাম্পিয়ন বিকেএসপির খেলোয়াড়দের উদ্দেশে বলছিলেন সংস্থাটির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মুনীরুল ইসলাম। পাশে কোচ মওদুদুর রহমান শুভ এবং জাহিদ হোসেন রাজু।

মহাপরিচালকের কথায় ভীষণ খুশি চ্যাম্পিয়ন বিকেএসপির অধিনায়ক অর্পিতা পাল। তার কথায়, ‘স্যার খুব খুশি হয়েছেন। তাই আমাদের খাওয়াতে চাইলেন। আমরাও খুশি বিকেএসপিকে ট্রফি এনে দিতে পেরে।’

ডেভেলপমেন্ট কাপ হকিতে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বিকেএসপি। ফাইনালে তারা ৮-০ গোলে কিশোরগঞ্জকে হারিয়ে শিরোপা জেতে। অধিনায়ক অর্পিতা ও আইরিন আক্তার হ্যাটট্রিক এবং জাকিয়া আফরোজ ও তন্নী খাতুন একটি করে গোল করেন।

টুর্নামেন্টে ৩০ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জেতেন অর্পিতা। টুর্নামেন্টসেরার পুরস্কার জেতেন কিশোরগঞ্জের অধিনায়ক ফারদিয়া আক্তার। খেলা শেষে ট্রফি ও পদক তুলে দেন ফেডারেশনের সভাপতি ও বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান।

এবারের টুর্নামেন্টে ১১টি দল অংশ নিয়েছে। বিকেএসপি বাদে বাকি ১০টি জেলা দল। জেলায় হকির তেমন সুবিধা না থাকলেও দুর্দান্ত খেলেছেন ঢাকার বাইরের মেয়েরা। বিশেষ করে যশোর ও কিশোরগঞ্জের মেয়েরা গোলবন্যায় ভাসিয়েছেন প্রতিপক্ষকে। টুর্নামেন্টে তৃতীয় হওয়া যশোর ২৮টি এবং কিশোরগঞ্জ ২৪টি গোল করেছে।

বিকেএসপির বাইরে ব্যক্তিগত গোল বেশি যশোরের সোনিয়া খাতুনের (১২টি), কিশোরগঞ্জের ফারদিয়া আক্তারের ১১ ও জেলি আক্তারের গোল ছয়টি। একপেশে ফাইনালের জন্য জেলায় সুযোগ-সুবিধার ঘাটতিকে দায়ী করলেন কিশোরগঞ্জের অধিনায়ক ফারদিয়া।

তার কথায়, ‘জেলার মেয়েরা সুযোগ-সুবিধা পায় না বললেই চলে। ছয় মাস আমি বিকেএসপিতে কাটিয়েছি। তাই হয়তো ভালো খেলতে পেরেছি। অন্যরা ঘাসের মাঠে অনুশীলন করে এসেছে। তাই কুলিয়ে উঠতে পারেনি।’

জাতীয় নারী হকি দলের সদস্য ফারদিয়া। ভাই মো. রকির খেলা দেখেই হকিতে আগ্রহী হন তিনি। যুব বিশ্বকাপে খেলেছেন অনূর্ধ্ব-২১ দলের মো. রকি। এর আগে দুই ভাইয়ের খেলা দেখেছেন দর্শকরা। এবার লাল-সবুজ জার্সি গায়ে এই প্রথম দেখা যাবে রকি-ফারদিয়া দুই ভাই-বোনকে।

ফেডারেশনের সদস্য শহিদুল্লাহ বলেন, ‘হকিতে এবারই প্রথম ভাই-বোন জাতীয় দলের খেলোয়াড়। আগে ভাই-ভাই খেলেছে। ভাই-বোন এবারই প্রথম।’