সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

শাকিব খানের ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ

 

বাংলা সিনেমার শীর্ষ নায়ক শাকিব খান বিপিএলে একটি দল কিনেছিলেন। শাকিবের কসমেটিকস ও হোম কেয়ার কোম্পানি রিমার্ক-হারল্যানের হয়ে কেনা ‘ঢাকা ক্যাপিটালস’ দল নিয়ে আগ্রহ ছিল শুরু থেকেই। কিন্তু লিটন দাস, মোস্তাফিজুর রহমান, জনসন চার্লস, থিসারা পেরেরাদের নিয়েও ব্যর্থ হয়েছিল ঢাকা।

৭ দলের বিপিএলে ৬ নম্বরে থেকে শেষ করে ঢাকা ক্যাপিটালস। জয় পেয়েছিল কেবল ৩ ম্যাচ। বিপিএলে তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণে দলের মালিকানা হারানোর শঙ্কা এখন শাকিবের। স্পট ফিক্সিংয়ের মতো অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হচ্ছে এই দলের বিপক্ষে।

একাদশ বিপিএলে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে গত ফেব্রুয়ারিতে তিন সদস্যের স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল বিসিবি। আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দারের নেতৃত্বে এই কমিটিতে আছেন আইনজীবী ড. খালেদ এইচ চৌধুরী ও সাবেক ক্রিকেটার শাকিল কাসেম।

এই তদন্ত কমিটি তিনটি দলের বিপক্ষে স্পট ফিক্সিংয়ের মতো অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছে বলে উঠে এসেছে তদন্তে। ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো হলো দুর্বার রাজশাহী, সিলেট স্ট্রাইকার্স ও ঢাকা ক্যাপিটালস।

দুর্বার রাজশাহী শুরু থেকে বেতন নিয়ে টালবাহানা করেছিল। রাজশাহীর খেলোয়াড়রা ধর্মঘটের মত সিদ্ধান্ত নিতেও বাধ্য হয়েছিলেন।

অন্যদিকে, বেতন নিয়ে পেশাদার আচরণ করলেও শাকিব খানের ঢাকার নাম আসাটা বিস্ময়কর। পুরোপুরি নির্দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত এসব ফ্র্যাঞ্চাইজিকে বিসিবির ক্রিকেটীয় কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখার সুপারিশই করবে তদন্ত কমিটি।

আগামী সপ্তাহখানেকের মধ্যে তদন্ত কমিটি প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দেবে বিসিবির সভাপতি আমিনুল ইসলামের কাছে। চূড়ান্ত রিপোর্ট দেওয়া হবে আগামী মাসে। সন্দেহজনক মোট ৩৬টি ঘটনা সামনে এসেছে তদন্ত কমিটির। এসব ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে নাম আছে ১০–১২ জন ক্রিকেটারের, তাদের একজন ছিলেন সবশেষ শ্রীলঙ্কা সফরের দলেও!

এছাড়া বিপিএলের ২০২৩–২৪ মৌসুমে একটি ফ্র্যাঞ্চাইজিকে একটি ম্যাচ হারার জন্য জুয়াড়িরা প্রস্তাব দিয়েছিল ৪০০ কোটি টাকার, এমন প্রতিবেদন করেছে একটি জাতীয় দৈনিক। তবে সেই দল প্রস্তাবটা গ্রহণ করেছিল কি-না নিশ্চিত হতে পারেনি তদন্ত কমিটি।

এনএনবাংলা/